1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কেরালায় ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ সংক্রমণে ১৯ জনের মৃত্যু - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস স্মরণে শ্যামনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ লোহাগাড়া ভূমি অফিসে অর্থ দাবির অভিযোগ, ইউএনওর সঙ্গে বিএনপি নেতার বাগ্‌বিতণ্ডা ৫ বছরে এক কোটি দক্ষ কর্মী তৈরি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নেত্রকোণায় ভ্যানের গোপন চেম্বারে ৮৮ বোতল বিদেশি মদ, আটক ১ কেন্দুয়ায় জুয়ার আসরে পুলিশের হানা, দুই ইউপি সদস্যসহ আটক ৬ লোহাগাড়ায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগ স্বামীর নবীনগরে আগুনে পুড়ল বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকা রাঙামাটিতে জাল উত্তরাধিকার সনদে ক্ষতিপূরণ দাবি, আটক সুমন দুর্গাপুরে ১১০ বোতল মাদকসহ নারী আটক, পুলিশ দেখে পালালেন স্বামী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: স্বামীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কেরালায় ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ সংক্রমণে ১৯ জনের মৃত্যু

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৩ জন খবরটি পড়েছেন

ভারতের কেরালায় প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (পিএএম) সংক্রমণে চলতি বছরে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেগেলেরিয়া ফাউলেরি নামের অ্যামিবার কারণে সৃষ্ট এ বিরল রোগটিকে প্রায়শই ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ বলা হয়।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভীনা জর্জ বৃহস্পতিবার জানান, এ বছর রাজ্যে কোনো ক্লাস্টার আউটব্রেক দেখা যায়নি। শনাক্ত হওয়া ৬৯টি সংক্রমণই একক ঘটনা। তিনি বলেন, গত বছর একই পানির উৎস ব্যবহারের কারণে একাধিক ক্লাস্টার আউটব্রেক ঘটেছিল, তবে এ বছর তা হয়নি।

পিএএম এক ধরনের অ্যামেবিক এনসেফালাইটিস, যা সাধারণত মিঠা পানির মুক্ত-জীবিত অ্যামিবার মাধ্যমে ছড়ায়। এ সংক্রমণ মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করে এবং গুরুতরভাবে ফুলে যায়, যার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আক্রান্তদের মৃত্যু ঘটে। সাধারণত শিশু, কিশোর ও তরুণরা এর ঝুঁকিতে থাকে।

কেরালা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দূষিত জলাশয়ে সাঁতার বা ডুব দেওয়ার পাশাপাশি সাইনাস চিকিৎসায় নেটি পট ব্যবহারের মাধ্যমেও এ রোগে সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমণের এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রোগী মারা যায়।

পিএএম-এর লক্ষণগুলো ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিসের মতো হওয়ায় শনাক্ত করা কঠিন। সাধারণত মাথাব্যথা, জ্বর, বমি, বমিভাব, এমনকি ঘ্রাণ বা স্বাদ অনুভূতি হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। রোগটি হঠাৎ শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে দুই দিনের মধ্যে তীব্র আকার ধারণ করে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar