1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ঢাবি'র ৩০তম উপাচার্য হলেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

ঢাবি’র ৩০তম উপাচার্য হলেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪
  • ২১০ জন খবরটি পড়েছেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। সদ্য সাবেক উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষক রাজনীতিবিমুখ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ। ইতোপূর্বে কোনো দলের রাজনৈতিক সভা সমাবেশেও তাকে দেখা যায়নি। সবসময়ই একাডেমিক বিষয়ে প্রাধান্য পাওয়ায় রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে থেকেছেন এই অধ্যাপক।

জানা গেছে, ড. নিয়াজ খানের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে দেশ ও দেশের বাইরের ১৭ জন পিএইচডি গবেষক এবং আটজন এমফিল গবেষক গবেষণা করছেন। পাশাপাশি দুই শতাধিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ ও বইও লিখেছেন তিনি।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি গ্রাম। তার প্র-পিতামহ খান বাহাদুর নাসির উদ্দিন খান ও অবিভক্ত ভারতের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর ছিলেন। পিতামহ কবীর উদ্দিন আহমেদ খান ছিলেন আসাম-বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসের ডেপুটি কালেক্টর ও প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। অধ্যাপক নিয়াজ খানের পিতা ড. শফিক আহমদ খান ষাটের দশকের প্রথম দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণ রসায়ন বিভাগ প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এলাকায় তাদের বাড়িটি ‘ডেপুটি বাড়ি’ হিসেবেই পরিচিত।

পেশাগত জীবনে অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ‘অধ্যাপক’ ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অধ্যয়ন বিভাগে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে একই বিভাগে অধ্যাপনা করছেন তিনি।

ঢাবির উপাচার্য হওয়ার আগে অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) এর উপ-উপাচার্য ও উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক (গ্রেড-১) ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অফ গভর্নেন্স এন্ড ডেভেলপমেন্টে এর সিনিয়র একাডেমিক এডভাইজার এবং সেন্টার অফ রিসোর্সেস এন্ড ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি মর্যাদাপূর্ণ কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজিতে পোস্ট ডক্টোরাল গবেষণা করেন।

অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস সোয়ানসি, এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ ও গবেষণা করে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যে একাডেমিক ও কার্যকরী ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্টের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি নিয়মিত একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি অন্যান্য দক্ষতা অর্জনে নিয়োজিত ছিলেন।

এই অধ্যাপক বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট থেকে ডিপ্লোমা ইন পার্সোনাল ম্যানেজমেন্টে (প্রথম শ্রেণীতে প্রথম) এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলস- সোয়ানসি থেকে ডিপ্লোমা ইন ভলেন্টারি এন্ড কমিউনিটি অরগানাইজেশন্স (ডিস্টিংশন) ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলস-ল্যাম্পিটার থেকে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইন্টারপারসনাল স্কিলস ফর ভলান্টিয়ার (ডিস্টিংশন) অর্জন করেছেন।

শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কুইন এলিজাবেথ হাউজে ‘দক্ষিণ এশীয় ফেলো’, তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের অধ্যাপক(২০১৮), ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি (২০১৪), আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব ডায়লগ (২০১৮) এর খণ্ডকালীন গবেষক। তিনি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ফেলো (২০১৫ থেকে বর্তমান) ও সিনিয়র এডভাইজার (২০১৬-১৮) ইস্ট ওয়েস্ট (২০০৬ থেকে বর্তমান) , নর্থ সাউথ (২০০৯ থেকে বর্তমান), ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (২০০১ থেকে বিভিন্ন মেয়াদে চলমান) এডজাঙ্কট প্রফেসর।

এ ছাড়া তিনি, মিশরের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ইন কায়রোতে ‘ডিস্টিংগুইসড ভিজিটিং রিসার্চার’, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ‘অধ্যাপক’, থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ‘এশিয়ান রিসার্চ ফেলো’ এবং অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভারসিটির ‘ভিজিটিং স্কলার’, ২০০৪-০৮ সাল পর্যন্ত কানাডার রয়েল রোডস ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস (১৯৯৬-৯৭) এর ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কাজ করেছেন।

ড. নিয়াজ খান বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আমেরিকান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যুক্তরাজ্য সরকারের সোয়ানসি-বে রেশিয়াল ইকুইটি কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, প্রকল্প ও কর্মসূচিতে উপদেষ্টা ও পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সরকারের উচ্চপর্যায়ে ও সামাজিকভাবে বিভিন্ন সংগঠনেও দায়িত্ব পালন করেছেন ড. নিয়াজ। পাশাপাশি করেছেন পরিবেশ ও টেকশই উন্নয়ন গবেষণা।বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক, গবেষণা নির্দেশক ও শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি, ফরেন সার্ভিস একাডেমি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বন একাডেমি, আর্মি আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুল এবং বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমিতে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি আরণ্যক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান তিনি। চ্যানেল ২৪

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar