1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
স্বাক্ষরতায় এগিয়ে পুরুষ পিছিয়ে নারী - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

স্বাক্ষরতায় এগিয়ে পুরুষ পিছিয়ে নারী

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৬১ জন খবরটি পড়েছেন

নিস্কৃতি মন্ডল 

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আজ বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস। ১১ বছরে সাক্ষরতার হার ২৮.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭৪.৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সংজ্ঞা অনুযায়ী  এক সময় কোনো ব্যক্তি নিজের নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষরতায় উত্তীর্ণ ধরা হতো। কিন্তু বর্তমানে  যে ব্যক্তি নিজের ভাষায় স্বাক্ষর করতে জানেন এবং সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারেন, সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারেন এবং দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবেন, তাকেই সাক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুযায়ী বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ। স্বাক্ষরতার পরিসংখ্যানে পুরুষেরা নারীদের চেয়ে এগিয়ে। পিছিয়ে আছেন নারী। ২৫.৩৪ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর । গতকাল সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাক্ষরতার তথ্য উপাত্ত প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন ।

বিগত বছর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে   প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ২০২০ সালে বছর ছিল ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ। পূর্বের বছরের ন্যায় প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু এবার চলতি বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী তথ্যমতে সাক্ষরতা কমেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগের ঘোষণা ছিল এমন ২০১৪ সালের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর হবে । ২০১০ সালে সরকার উল্লিখিত সময়ের মধ্যে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিতের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পর ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশে এখনো ২৫.৩৪ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার মধ্যে ৪ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ১৯৩ জন নিরক্ষর।

বিবিএসের সাম্প্রতিক এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সাক্ষরতার হারে  নারীদের চেয়ে এগিয়ে আছেন দেশের পুরুষরা। বর্তমানে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ শতাংশ  হলেও নারীদের সাক্ষরতা  ৭২.৮২ শতাংশ। বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনসংখ্যা মোট ১২ হাজার ৬২৯ জন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের আদমশুমারির আদমশুমারিতে দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৫১.৭৭ শতাংশ। কাঙিত লক্ষ্য অর্জিত না হলেও বিগত ১১ বছরে সাক্ষরতার হার বেড়েছে মোট ২৩.৮৯ শতাংশ।

বরাবরের মত দেখা গেছে, পল্লী এলাকার চেয়ে শহর এলাকায় সাক্ষরতার হার অধিক। জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী পল্লী এলাকার মোট সাক্ষরতার হার ৭১.৫৬ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৩.২৯ শতাংশ, নারীদের সাক্ষরতার হার ৬৯.৯৩ শতাংশ এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৫১.৯৭ শতাংশ। এ ছাড়া শহর এলাকায় মোট সাক্ষরতার হার ৮১.২৮ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৮৩.১৮ শতাংশ, নারীদের ৭৯.৩০ শতাংশ এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৫৫.২৮ শতাংশ।দেখা গেছে শহর ও পল্লী এলাকার স্বাক্ষরতার পার্থক্য আগের মত প্রায় ৪ শতাংশ।

স্বাক্ষরতার সর্বনিম্ন হার ময়মনসিংহ বিভাগে; ৬৭.০৯ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ হার ঢাকা বিভাগে; ৭৮.০৯ শতাংশ । বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১১ সালে স্বাক্ষরতায় এগিয়ে থাকা বরিশাল বিভাগকে  পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ঢাকা বিভাগ। স্বাক্ষরতায় সর্বনিম্নো সিলেট বিভাগ এগিয়েছে ,পিছনে পড়েছে ময়মনসিং বিভাগ।

জেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে সাক্ষরতার হারে সব থেকে এগিয়ে আছে পিরোজপুর। এ জেলায় সাক্ষরতার হার ৮৫ শতাংশের বেশি। আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে জামালপুর জেলা  যেখানে সাক্ষরতার হার  ৬১ দশমিক ৫৩  শতাংশ।

শিক্ষা স্বাক্ষরতা নিয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি সংগঠনের মোর্চা গণসাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এর মতে , বিশ্বে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতার বর্তমান হার হচ্ছে ৮৬.৬ শতাংশ। যার থেকে আমরা বেশ পিছিয়ে। সরকার চেষ্টা করছে কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যার্থতার কারন অনুসন্ধান করতে হবে এবং একটি স্ট্যাজেটিক প্লান এর মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনে সরকারকে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে যাঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার প্রকল্প হাতে নিতে হবে এবং সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar