1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাবিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ বই কিনি উৎসব’ জাতীয় সম্মেলন ও সম্মাননা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিল্লিতে স্কুলের ভেতরে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহনন গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা: আহত ২, অভিযানে পুলিশ ইরান থেকে ফেরার পথে কিউবার ব্যবস্থা নেব-ট্রাম্প সাদপন্থিদের ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি ওলামা-মাশায়েখদের শ্যামনগরে জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা খুলনায় তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, কারাদণ্ড পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক জাহাজ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: ইরান প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই লোহাগাড়ার বটতলী শহরে ময়লার ভাগাড়, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ মানিকগঞ্জে তিন সড়কের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

রাবিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ বই কিনি উৎসব’ জাতীয় সম্মেলন ও সম্মাননা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৯ জন খবরটি পড়েছেন

‎রাবি প্রতিনিধি।
‎বাংলাদেশ বই কিনি উৎসবের উদ্যোগে ২০২৫ সালের জাতীয় সম্মেলন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
‎
‎সম্মেলনের উদ্বোধন করেন রাবির অধ্যাপক ইমেরিটাস এ কে এম আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ্ হাসান নকীব। বিশেষ অতিথির আসনে ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন খান, টিএমএস বগুড়ার নির্বাহী পরিচালক হোসনেয়ারা বেগম এবং রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক টুকটুক তালুকদার। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম।
‎
‎বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, দেশে অনেক কিছুই ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে গেছে, তবে রাজশাহীতে এমন জাতীয় আয়োজন হওয়া অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি বলেন, ঢাকায় যারা আছেন শুধু তারাই দেশের সব কাজ করেন—এই ধারণা ঠিক নয়। দেশের উন্নয়নে প্রতি অঞ্চলের মানুষ সমানভাবে ভূমিকা রাখছে। লেখকরা তাঁদের লেখায় সময়ের বাস্তবতা তুলে ধরলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস ও সমাজকে ভালোভাবে জানতে পারবে। এ ধরনের আয়োজন ভালো বই লেখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
‎
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, বর্তমান প্রজন্মের বই পড়ার প্রবণতা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হল প্রযুক্তির প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক। বই পড়া মানেই কেবল গল্প জানা নয়, বরং অতীত ইতিহাস, দর্শন, সভ্যতা ও মানুষের ভাবনা সম্পর্কে গভীরভাবে জানা। দেশের অধিকাংশ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার লড়াই করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পাঠকসংখ্যা কমে যাওয়াই এর প্রধান কারণ।
‎
‎তিনি আরও বলেন, অবসর সময়ে জ্ঞান বাড়ানো, মনোযোগ বৃদ্ধি, চলমান বিষয়সমূহ বিশ্লেষণ এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাস শক্তিশালী করার জন্য প্রত্যেকেরই বইপড়ার অভ্যাস জরুরি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar