1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গোবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন মসজিদ বিতর্কে যা জানালেন উপাচার্য - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাতে ৭ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ

গোবিপ্রবিতে নির্মাণাধীন মসজিদ বিতর্কে যা জানালেন উপাচার্য

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৯ জন খবরটি পড়েছেন

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) নতুন একটি পাঞ্জেগানা মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন এলাকায় মসজিদ নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মসজিদটি নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে কিছু শিক্ষার্থীকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়।
কতিপয় শিক্ষার্থীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুসরণ না করেই এই মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তারা উল্লেখ করেন, গোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ইতোমধ্যেই দুটি মসজিদ রয়েছে। এমন অবস্থায় তৃতীয় একটি মসজিদের পেছনে অর্থ ব্যয় না করে সেই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উন্নয়নমূলক খাতে ব্যয় করার প্রস্তাব দেন তারা।

এ বিষয়ে ওঠা অভিযোগ ও বিতর্কের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন যে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে, তার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখানে কেবল জায়গা প্রদান করছে, অর্থনৈতিক কোনো ব্যয় আমাদের নেই।”
তিনি আরও বলেন, “প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন থেকে পূর্বে নির্মিত দুটি মসজিদের দূরত্ব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেক মুসল্লীর নিয়মিত নামাজ আদায়ে অসুবিধা হয়। সেই বিষয়টি বিবেচনা করেই নতুন এই মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

উপাচার্য জানান, নতুন মসজিদটিতে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথকভাবে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে, যা আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থাপনার অংশ।
মাস্টারপ্ল্যান সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “মসজিদ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যানের সম্পূর্ণ বর্হিভূত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখেছেন। ওই স্থানে অন্য কোনো স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। সুতরাং সেখানে মসজিদ নির্মাণে কোনো ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar