1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশব্দে বিপন্ন শিক্ষা পরিবেশ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিল্লিতে স্কুলের ভেতরে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহনন গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা: আহত ২, অভিযানে পুলিশ ইরান থেকে ফেরার পথে কিউবার ব্যবস্থা নেব-ট্রাম্প সাদপন্থিদের ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি ওলামা-মাশায়েখদের শ্যামনগরে জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা খুলনায় তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, কারাদণ্ড পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক জাহাজ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: ইরান প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই লোহাগাড়ার বটতলী শহরে ময়লার ভাগাড়, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ মানিকগঞ্জে তিন সড়কের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশব্দে বিপন্ন শিক্ষা পরিবেশ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১১ জন খবরটি পড়েছেন

রবিউল ইসলাম শাকিল, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় | সাংস্কৃতিক জনপদ হিসেবে পরিচিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) জয়ধ্বনি মঞ্চের উচ্চশব্দ এখন আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে ‘শব্দ সন্ত্রাস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হলের গা ঘেঁষে অবস্থিত এই মঞ্চে গভীর রাত অবধি উচ্চমাত্রার সাউন্ড সিস্টেমে অনুষ্ঠান চলায় পড়াশোনা তো বটেই, স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও এখন বিপর্যস্ত। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ – সাংস্কৃতিক চর্চার নামে দীর্ঘস্থায়ী শব্দদূষণে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা, বিদ্রোহী, দোলনচাঁপা ও শিউলিমালা হলের কাছেই জয়ধ্বনি মঞ্চের অবস্থান। সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন বিভাগ ও সংগঠনের উৎসবের শব্দ সরাসরি আবাসিক কক্ষগুলোতে প্রতিধ্বনিত হয়। বিদ্রোহী হলের শিক্ষার্থী আনান আহমেদ বলেন, “সন্ধ্যা নামলেই হলের নীরবতা হারিয়ে যায়। ড্রাম আর বেজ-এর শব্দে জানালার কাঁচ পর্যন্ত কাঁপে। বিসিএস বা সেমিস্টার ফাইনালের প্রস্তুতি নেওয়া আমাদের জন্য এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমনকি নামাজের সময়ও উচ্চশব্দ নিয়ন্ত্রণ করা হয় না।”

একই হলের আরেক শিক্ষার্থী আরমান জানান, সাংস্কৃতিক আয়োজন অবশ্যই প্রয়োজনীয়, তবে তা যেন আবাসিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ক্ষতির কারণ না হয়—এ বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এই পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, টানা উচ্চশব্দের কারণে শিক্ষার্থীদের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে হ্রাস পেতে পারে। এর বাইরেও অনিদ্রা এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে না পারার কারণে শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারেন।

শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “টিএসসির কাজ সম্পন্ন হলে সব সাংস্কৃতিক আয়োজন সেখানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।” তবে টিএসসি চালু না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে শব্দ নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর নীতিমালা না থাকায় প্রশাসনের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি—অনতিবিলম্বে জয়ধ্বনি মঞ্চের সাউন্ড সিস্টেমের ডেসিবল মাত্রা নির্ধারণ এবং অনুষ্ঠানের সময়সীমা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar