1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
একই বিষয়ে পাঁচবার ফেল, মানসিক চাপে মেডিকেল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা বিচার বিভাগের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

একই বিষয়ে পাঁচবার ফেল, মানসিক চাপে মেডিকেল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩১ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

।। কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহির-এর রোষানলে পড়েন নওশিন।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কুমিল্লায় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী অর্পিতা নওশিন আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই বিষয়ে পাঁচবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে না পারা এবং মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন তার সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহপাঠীদের দাবি, মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেন।

অর্পিতা নওশিন ২০২১-২২ সেশনে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি মেডিকেলে ভর্তি হলেও সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলো।

সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহির-এর রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।

বন্ধুরা জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই তাকে প্রকাশ্যে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তারা জানান।

এদিকে কলেজটির সাবেক শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেছেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কঠোর আচরণ করেন। তাদের মতে, বিষয়টি তদন্ত করলে নওশিনের মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হতে পারে।

নওশিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান দাবি করেন, তার বোনের আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতা ছিল না এবং কলেজের মানসিক চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম বর্ষ থেকেই তার বোনকে মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল এবং একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছিল, কিন্তু সমস্যার কারণ কেউ জানাননি।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন ও এনাটমি বিভাগের প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar