গোবিপ্রবি প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে আগত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে গোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদল। পরীক্ষা উপলক্ষে তথ্যসেবা, দিকনির্দেশনা ও বিভিন্ন মানবিক সহায়তা দিয়ে আগতদের ভোগান্তি কমাতে কাজ করছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, প্রধান ফটকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। দূর-দূরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের পরীক্ষা কেন্দ্র খুঁজে পেতে সহায়তা, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান, বিশ্রামের ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানি সরবরাহসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায় তাদের।
বিশেষ করে নতুন পরিবেশে এসে অনেক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক দিকনির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তথ্যকেন্দ্র স্থাপন এবং স্বেচ্ছাসেবী টিম গঠন করে সার্বক্ষণিক সহায়তা প্রদান করছে গোবিপ্রবি ছাত্রদল।
এ বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, “ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এখানে আসেন। অনেকেই জায়গা সম্পর্কে অপরিচিত থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন। আমরা সেই দিকটি মাথায় রেখে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্বের অংশ।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করাও আমাদের অঙ্গীকার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
অন্যদিকে, গোবিপ্রবি ছাত্রদলের ২নং যুগ্ম সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি পরীক্ষার্থী যেন নির্বিঘ্নে ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে তাদের পরীক্ষা দিতে পারে। সে লক্ষ্যেই আমাদের নেতাকর্মীরা সকাল থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কেউ কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “দূর থেকে আসা অভিভাবকদের জন্যও আমরা যতটুকু সম্ভব সহায়তা করার চেষ্টা করছি, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন।”
এদিকে, সহায়তা পাওয়া কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক জানান, অপরিচিত ক্যাম্পাসে এমন উদ্যোগ তাদের জন্য বেশ সহায়ক হয়েছে। বিশেষ করে দিকনির্দেশনা ও তথ্যসেবা পেয়ে তারা সহজেই নির্ধারিত কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছেন।