1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়বহুল ফাঁদে সাধারণ মানুষ: চিকিৎসা নাকি শুধুই খরচের বোঝা? - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৩০৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ ইরানে হামলার পরিকল্পনা সেন্টকমের: অনুমোদনের অপেক্ষায় ট্রাম্প কুরআনের আয়াত থেকে অনুপ্রেরণা: চলন্ত স্কুল বাস থামিয়ে ১৯ শিশুর প্রাণ বাঁচালেন যুবক গোপালগঞ্জে পিকআপ চাপায় বাবা ও মেয়ে নিহত ফরিদপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৩ হাজার মণ পাট ভস্মীভূত, ক্ষতি ২ কোটি টাকা পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধন আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে: পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলুপ্তির পথে কলাবতী শাড়ি গাজীপুরে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন: মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর ১৭ ঘণ্টা পর দাফন হলো সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মরদেহ আট দিন বন্ধের পর বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়বহুল ফাঁদে সাধারণ মানুষ: চিকিৎসা নাকি শুধুই খরচের বোঝা?

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির চিত্র দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সম্প্রতি এক রোগীর অভিজ্ঞতা এই বাস্তবতাকে নতুন করে সামনে এনেছে। ডাক্তার ফি ৭০০ টাকা, রিপোর্ট দেখার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা এবং বিভিন্ন টেস্টের জন্য ৭৬০০ টাকা ব্যয় করার পরও তিনি কোনো ওষুধ ছাড়াই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে—এই ব্যয়বহুল প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য কি রোগ নিরাময়, নাকি রোগীর আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে চিকিৎসা খাতে নির্ধারিত ফি ও টেস্টের খরচের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত টেস্ট করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, যা রোগীর উপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম বিপাকে পড়ে।

স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক অধিকার হলেও বাস্তবে তা অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চল কিংবা মফস্বল এলাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পেতে রোগীদের শহরে যেতে হয়, যেখানে খরচ আরও বেড়ে যায়। ফলে অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে না পেরে অসুস্থতা নিয়েই জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।
জনস্বার্থে প্রশ্ন উঠেছে—চিকিৎসা সেবার এই অনিয়ম ও অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে? স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

সচেতন মহল মনে করছে, চিকিৎসা ফি নির্ধারণে নীতিমালা প্রণয়ন, অপ্রয়োজনীয় টেস্ট বন্ধে কঠোর নজরদারি এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি চালু করা জরুরি। অন্যথায় স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের জন্য একটি ‘ফাঁদে’ পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।
রোগ নিরাময়ের জায়গা যদি হয় আর্থিক চাপের কেন্দ্র, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? এখনই সময় মানবিক, সাশ্রয়ী ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar