1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ভাসানী হলের পুকুরে দূষিত পানির প্রবাহ বন্ধে স্মারকলিপি প্রদান - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৩ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৩০৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ ইরানে হামলার পরিকল্পনা সেন্টকমের: অনুমোদনের অপেক্ষায় ট্রাম্প কুরআনের আয়াত থেকে অনুপ্রেরণা: চলন্ত স্কুল বাস থামিয়ে ১৯ শিশুর প্রাণ বাঁচালেন যুবক গোপালগঞ্জে পিকআপ চাপায় বাবা ও মেয়ে নিহত ফরিদপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৩ হাজার মণ পাট ভস্মীভূত, ক্ষতি ২ কোটি টাকা পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধন আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে: পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলুপ্তির পথে কলাবতী শাড়ি গাজীপুরে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন: মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর ১৭ ঘণ্টা পর দাফন হলো সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মরদেহ আট দিন বন্ধের পর বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ভাসানী হলের পুকুরে দূষিত পানির প্রবাহ বন্ধে স্মারকলিপি প্রদান

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৬ জন খবরটি পড়েছেন

দ্রুত সমাধান না হলে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়ার হুঁশিয়ারি

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জাবি প্রতিনিধি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মওলানা ভাসানী হলের পুকুরে পাশের কামালউদ্দিন হলের ওয়াশরুম, ডাইনিং ও ক্যান্টিনের বর্জ্য পানি এবং বটতলার দোকানের ময়লা প্রবাহ বন্ধ করে তা অন্যত্র স্থানান্তর ও পুকুর সংস্কারের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে ভাসানী হল ছাত্র সংসদ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে প্রশাসনিক ভবন ও প্রকৌশল দপ্তরে তালা দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বরাবর এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ২৮ নভেম্বর ভাসানী হল ও কামালউদ্দিন হলের মধ্যবর্তী সুয়ারেজ লাইন ও পানি নিষ্কাশন সমস্যা সমাধানে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসন, প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং জাকসুর ভিপি উপস্থিত ছিলেন। এক মাসের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে সুয়ারেজ লাইনের আংশিক সংস্কার করা হলেও কামালউদ্দিন হলের ডাইনিং, ক্যান্টিন, ওয়াশরুম ও বটতলার দোকানের বর্জ্য পানি এখনো ভাসানী হলের পুকুরে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে পুকুরের পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনো পুকুরই গোসলের উপযোগী নেই। এর মধ্যে ভাসানী হলের সামনের পুকুরের এমন দূষিত অবস্থা শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ন করছে।

এ প্রেক্ষিতে আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), কোষাধ্যক্ষ এবং প্রকৌশল দপ্তরের সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে বর্জ্য পানির লাইন অন্যত্র স্থানান্তর এবং পুকুর খনন ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট রূপরেখা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় স্মারকলিপিতে।

এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভাসানী হল ছাত্র সংসদের পক্ষ থেকে পুকুরে প্রবাহিত সব বর্জ্য পানির লাইন বন্ধ করে দেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর ও রেজিস্ট্রার অফিসে তালা দেওয়ার মতো কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে স্মারকলিপিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মওলানা ভাসানীহলের জিএস হৃদয় পোদ্দার বলেন, “ভাসানী হলের পুকুরটি একসময় গোসল উপযোগী ছিলো,কিন্তু ৫-৬ বছরে প্রশাসনের অবহেলায় পুকুরটি গোসল অনুপযোগী হয়ে উঠেছে,পুকুরের পচা পানির গন্ধে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি ৩ দফায় আশা করি প্রশাসন পুকুরটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিবে।”

ভিপি আব্দুল হাই স্বপন বলেন, “ভাসানী হলের পুকুরে নোংরা পানি প্রবাহ বন্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ৬ মাসেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এতে পুকুরটি নর্দমায় পরিণত হয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে।”

তিনি আরও বলেন, “১৬ এপ্রিলের মধ্যে সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসন নতুন অর্থবছরে স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar