1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বিদ্যুৎ সঞ্চালন গবেষণায় এআইইউবি শিক্ষার্থী দেবপ্রিয়'র আন্তর্জাতিক সাফল্য - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিদ্যুৎ সঞ্চালন গবেষণায় এআইইউবি শিক্ষার্থী দেবপ্রিয়’র আন্তর্জাতিক সাফল্য

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৯ জন খবরটি পড়েছেন

মোহাম্মাদ শাকিল ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছেন গবেষক দেবপ্রিয় সাহা। তাঁর গবেষণাপত্র “Performance of HVDC and HVAC: Multi-Scenario Analysis of Losses Reduction and CO₂ Emission of a Renewable Transmission Infrastructure in Bangladesh” উপস্থাপিত হয়েছে ২০২৬ সালের আইইইই কিউপেইন আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে, যা চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ অনুষ্ঠিত হয়।

গবেষণাটিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এইচভিএসি ও এইচভিডিসি প্রযুক্তির একটি বিস্তৃত তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা, শক্তি অপচয় এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে পরিচালিত এই গবেষণা ইতোমধ্যেই বিশেষজ্ঞ মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে।

দেবপ্রিয় সাহার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দীর্ঘ দূরত্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এইচভিডিসি প্রযুক্তি এইচভিএসি-এর তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। ৫০০, ১০০০ এবং ১৫০০ কিলোমিটার দূরত্বে ৫০০ ও ১০০০ মেগাওয়াট সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে মোট বিদ্যুৎ ক্ষতি প্রায় ৬৫ থেকে ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, ১০০০ কিলোমিটার দূরত্বে ১০০০ মেগাওয়াট সঞ্চালনে প্রচলিত ব্যবস্থায় যেখানে প্রায় ৩২০ মেগাওয়াট শক্তি অপচয় হয়, সেখানে নতুন প্রযুক্তিতে এই ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।

গবেষণাটিতে বাংলাদেশের বাস্তব গ্রিড ডাটা—যেমন ২৩০ কেভি ও ৪০০ কেভি এসি সিস্টেম এবং ±৫০০ কেভি ও ±৮০০ কেভি ডিসি সিস্টেম, কন্ডাক্টর বৈশিষ্ট্য, জলবায়ুগত প্রভাব ও জাতীয় গ্রিড নির্গমন ফ্যাক্টর—ব্যবহার করা হয়েছে, যা গবেষণাকে বাস্তবসম্মত ও প্রয়োগযোগ্য করেছে।

পরিবেশগত দিক থেকেও গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেখা গেছে, এইচভিডিসি প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব, যা বাংলাদেশের জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে। কক্সবাজারের অফশোর বায়ু, দক্ষিণাঞ্চলের সৌরশক্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জলবিদ্যুৎ সম্পদ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে এই প্রযুক্তি কার্যকর সমাধান হতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এইচভিডিসি প্রযুক্তির প্রাথমিক ব্যয় তুলনামূলক বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে কম শক্তি ক্ষয়, উন্নত দক্ষতা এবং কম অপারেশনাল জটিলতার কারণে এটি অধিক লাভজনক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে এই প্রযুক্তি ধীরে ধীরে সবচেয়ে কার্যকর বিকল্পে পরিণত হয়।

গবেষণা প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় সাহা বলেন, “বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। আমাদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দীর্ঘ দূরত্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে এইচভিডিসি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শক্তি অপচয় কমানো সম্ভব, যা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “কক্সবাজারের অফশোর বায়ু, দক্ষিণাঞ্চলের সৌরশক্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জলবিদ্যুৎ সম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে এই প্রযুক্তি অপরিহার্য। এর মাধ্যমে কার্বন নির্গমন কমিয়ে বাংলাদেশের জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনেও সহায়তা করা সম্ভব।”

গবেষণার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে তিনি জানান, “এই গবেষণায় স্থির-অবস্থার বিশ্লেষণ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাস্তব গ্রিডের গতিশীল আচরণ সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত করে না। ভবিষ্যতে উন্নত সিমুলেশন টুল ব্যবহার করে আরও গভীর গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।”

দেবপ্রিয় সাহা তাঁর গবেষণায় সহযোগিতার জন্য আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ ও রিজেড গবেষণা কেন্দ্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar