1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শিক্ষার জায়গায় অনিশ্চয়তা-এক ভবনে স্কুল ও পুলিশ ফাঁড়ি - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

শিক্ষার জায়গায় অনিশ্চয়তা-এক ভবনে স্কুল ও পুলিশ ফাঁড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১৭১ জন খবরটি পড়েছেন

প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার লক্ষীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে ১৬ বছর ধরে চলছে এক অস্বাভাবিক বাস্তবতা। যেখানে শিশুদের হাসি-আনন্দে মুখর থাকার কথা, সেখানে ভর করেছে এক ধরনের অদৃশ্য চাপ ও ভয়। একই ভবনে একদিকে পাঠদান, অন্যদিকে পুলিশের ফাঁড়ির কার্যক্রম—এই দ্বৈত ব্যবস্থায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিক্ষার পরিবেশ।

বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলার তিনটি কক্ষ দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ফাঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে তৈরি টিনের ঘরে ক্লাস করতে হচ্ছে। যা মূলত দুর্যোগকালে গবাদি পশুর আশ্রয়ের জন্য নির্ধারিত ছিল। আলো-বাতাসহীন, গরমে দমবন্ধ করা এসব কক্ষে ছোট ছোট শিশুদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা যেন এক ধরনের নীরব কষ্টের গল্প।

শিক্ষকরা বলছেন, এক শ্রেণির শব্দ অন্য শ্রেণিতে চলে যায়। ফলে পাঠদান কার্যত ভেঙে পড়ে। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেওয়ার কথা থাকলেও এখানে তার কোনো বাস্তবতা নেই।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো শিশুদের মানসিক অবস্থা। অভিভাবকদের মতে, পুলিশের উপস্থিতি, অস্ত্র, আনাগোনা—সব মিলিয়ে শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছে। তারা স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে বা খেলাধুলা করতেও সংকোচ বোধ করছে।

বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পিলারে ফাটল, ছাদ থেকে খসে পড়া পলেস্তার—যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় স্থানীয়দের দাবি, শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব ও শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে দ্রুত পুলিশ ফাঁড়ি সরিয়ে নেওয়া হোক এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সংস্কার করা হোক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar