1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মধ্যরাতে জবি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মধ্যরাতে জবি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৩ জন খবরটি পড়েছেন

জবি প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মধ্যরাতে পুরান ঢাকার মুরগিটোলা মোড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় দুই সাংবাদিক, পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাত দুইটার দিকে জুতা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন আমার দেশ এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লিমন ইসলাম এবং দৈনিক সময় এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি অপূর্ব রায়।

শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলামের মেস থেকে একজোড়া জুতা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে স্থানীয় মাইকেল নামে এক ব্যক্তিকে চুরির সঙ্গে জড়িত দেখা গেলে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে আটক করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।

এর প্রতিবাদে কয়েকশ শিক্ষার্থী হামলাকারীদের খুঁজতে মুরগিটোলা মোড়ে জড়ো হন। হামলাকারীরা একটি বাসায় অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা ওই বাসা ঘেরাও করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুলিশ লাঠিচার্জ করলে শিক্ষার্থী ও দায়িত্ব পালনরত দুই সাংবাদিক আহত হন।

আহত সাংবাদিক লিমন ইসলাম বলেন, “ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে লাঠিপেটা করেন। এতে আমার মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।”

আযহারুল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমি শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হলে আমার মাথায় আঘাত লাগে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাকে জানিয়েছেন, স্থানীয় এক ব্যক্তি এক জবি শিক্ষার্থীকে মারধরের পর পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি অংশ অভিযুক্তকে মারধর করতে উদ্যত হয় এবং তাকে থানায় নিতে বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
ঘটনার প্রতিবাদে রাত আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা মুরগিটোলা মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।

পুলিশের ডেমরা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মীর মুহসিন মাসুদ বলেন, আশরাফুল ইসলামের জুতা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মাইকেল ও আশিকুর রহমান আশিক নামে দুজনকে আটক করে। তার দাবি, অভিযুক্তকে থানায় নেওয়ার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে পুলিশের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, রাত ১০টার দিকে এক জবি শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ একজনকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় একদল শিক্ষার্থী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়া হয়। অভিযোগ পেলে মামলা গ্রহণ করা হবে এবং তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar