1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
প্রাথমিকের পর এবার মাধ্যমিকেও মিড ডে মিল, ড্রেস ও জুতা পাবে শিক্ষার্থীরা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

প্রাথমিকের পর এবার মাধ্যমিকেও মিড ডে মিল, ড্রেস ও জুতা পাবে শিক্ষার্থীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৮২ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর এবার মাধ্যমিক পর্যায়েও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমাতে মিড ডে মিল ও স্কুল ড্রেস বিতরণ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ লক্ষ্যে ৩ হাজার ৫০২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি স্কিম হাতে নেওয়া হয়েছে, যার আওতায় প্রথম ধাপে দেশের পিছিয়ে পড়া এক হাজার বিদ্যালয়ের প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী সুবিধা পাবে।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, ‘কমবাইন্ড স্টুডেন্টস ফ্যাসিলিটিস প্রোগ্রাম ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ শীর্ষক স্কিমের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারের পাশাপাশি বছরে দুই সেট স্কুল ড্রেস, এক জোড়া জুতা-মোজা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক কমন রুম, স্বাস্থ্য উপকরণ এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, স্কিমটি সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইডিপি) আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে। আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভায় এটি অনুমোদিত হয়েছে এবং বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাঁচ বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিজন শিক্ষার্থীর দুপুরের খাবারের জন্য প্রতিদিন ১২০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া স্কুল ড্রেস, জুতা-মোজা, কমন রুম, স্বাস্থ্য উপকরণ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধার জন্যও পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

শিক্ষাবিদরা উদ্যোগটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করলেও তারা মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা, কার্যকর তদারকি এবং শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar