1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
অনুমোদন ও মানদণ্ডের তোয়াক্কা নেই! লোহাগাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে বাণিজ্যিক বিস্তার - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

অনুমোদন ও মানদণ্ডের তোয়াক্কা নেই! লোহাগাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে বাণিজ্যিক বিস্তার

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৫ জন খবরটি পড়েছেন

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় সরকারি নীতিমালা ও প্রয়োজনীয় মানদণ্ড উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি কেজি স্কুল এবং আবাসিক ভবনে হেফজখানা প্রতিষ্ঠার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা, অবকাঠামোগত মানদণ্ডের অভাব, শিক্ষার পরিবেশের সংকট এবং তদারকির দুর্বলতার কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুব কাছাকাছি দূরত্বেও নতুন নতুন কেজি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন বহুতল আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট কিংবা ছাদ ব্যবহার করে শ্রেণিকক্ষ তৈরি করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ, নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা কিংবা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। তারপরও নিজেদেরকে এলাকার “সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান” হিসেবে প্রচার করে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে।

এছাড়া, অনেক কেজি স্কুলে তুলনামূলক উচ্চ হারে ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, পরীক্ষা ফি এবং বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের অভিভাবকদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আবাসিক এলাকার বহুতল ভবনের ছাদে উচ্চক্ষমতার মাইক ব্যবহার করে প্রতিদিন সকালের সমাবেশ, দেশাত্মবোধক গান এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করায় আশপাশের বাসিন্দারা শব্দদূষণের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী, পরীক্ষার্থী এবং বাসা থেকে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য এটি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন আবাসিক ভবনে অনুমোদন ও মানসম্মত অবকাঠামো ছাড়াই হেফজখানা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোতেই পরিচালনা ব্যবস্থা, আবাসন, নিরাপত্তা এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার মতো কার্যকর তদারকি দৃশ্যমান নয়।

দেশের বিভিন্ন সময়ে আবাসিক মাদ্রাসা ও হেফজখানায় শিক্ষার্থী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং রহস্যজনক মৃত্যুর মতো গুরুতর ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। শিশু অধিকারকর্মীরা মনে করেন, এ ধরনের ঝুঁকি প্রতিরোধে প্রতিটি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিক্ষক-কর্মচারীদের যাচাই এবং নিয়মিত পরিদর্শন নিশ্চিত করা জরুরি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু ভবন ভাড়া নিয়ে পাঠদান শুরু করলেই চলবে না; প্রয়োজন পর্যাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপদ পরিবেশ, প্রশিক্ষিত শিক্ষক, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, খেলার মাঠ এবং সরকারের নির্ধারিত অন্যান্য মানদণ্ডের যথাযথ অনুসরণ।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি লোহাগাড়ার সব বেসরকারি কেজি স্কুল ও আবাসিক হেফজখানার অনুমোদন, অবকাঠামো, নিরাপত্তা, পাঠদানের মান এবং আর্থিক কার্যক্রম যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar