1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতিফলক’ উদ্বোধন - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা পিসিসিপির বাঘারপাড়ায় ৩ খাতে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পেল খানপুর গ্রাম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৫ স্থানে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহুর্তে যে দোয়া বেশি বেশি পড়তে হবে রাতে ঘুম না এলে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে দোয়া পড়তে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাবে ‘ফাদার অব অল বোম্বস’ আনছে ইরান থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভার’-এ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ গাজীপুরে গাছায় মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষক-পরিচালক গ্রেপ্তার খুলনায় ভোরে যুবক, সন্ধ্যায় নারী খুন-এক দিনে দুই হত্যাকাণ্ড

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতিফলক’ উদ্বোধন

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ জন খবরটি পড়েছেন

জাবি প্রতিনিধি

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে ‘জুলাই স্মৃতিফলক’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফলকটির উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব, হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিরোধ আন্দোলনের সূচনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এর আগেই শুরু হয়েছিল। কিন্তু ন্যায্য দাবির জবাবে তৎকালীন সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষও পরাজিত হয়। ১৪ জুলাই রবীন্দ্রনাথ হলের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয় এবং তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

জাকসু নির্বাচনকে আন্দোলনের অন্যতম বড় অর্জন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “দীর্ঘ ৩৩ বছর পর শিক্ষার্থীরা আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে। গত তিনটি নতুন শিক্ষাবর্ষের সব শিক্ষার্থীকে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গণরুম ও নির্যাতনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া দেড় হাজার মানুষের আত্মত্যাগের ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। জুলাইয়ের ঘটনাগুলো স্মরণে ধারাবাহিক কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে উপাচার্য বলেন, ১৪ জুলাই শুধু একটি দিনের স্মৃতি নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের অংশ। নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানাতেই এসব আয়োজন।

জুলাই স্মৃতিফলক নির্মাণের উদ্যোগের সঙ্গে শুরু থেকে যুক্ত থাকা জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ রুবেল বলেন, “২০২৪ সালের ১৪ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আমার হলের কয়েকজন বন্ধু “আমি কে, তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার” এবং “কে বলেছে, কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার”—এই স্লোগান দেন। এর পরপরই হলের তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁদের নির্যাতন করেন। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে আমি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানাই। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গতিরোধ করে হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে সারা রাত আমরা শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও আন্দোলন চালিয়ে যাই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনা পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের গণ্ডি পেরিয়ে সারা দেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে আগামীর প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে একটি “জুলাই স্মৃতি ফলক” নির্মাণের দাবি আমি জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই জানিয়ে আসছি। দীর্ঘদিন প্রশাসন এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন না করলেও আজ সেই স্মৃতি ফলকের উদ্বোধন হয়েছে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস, এই স্মৃতি ফলক শুধু একটি ঘটনার স্মারক নয়; এটি শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার, চাকরিতে সমানাধিকার, ভােটাধিকারসহ গণতান্ত্রিক অধিকার ও সংগ্রামের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar