1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফিরে দেখা জুলাই’ স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফিরে দেখা জুলাই’ স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৬১ জন খবরটি পড়েছেন

হ্লাথোয়াইছা চাক, রাবি প্রতিনিধি
বুধবার (২২ জুলাই), রাত ১০:০৩ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনে ‘ফিরে দেখা জুলাই’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

অনুষ্ঠানে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, “জুলাই কেবল কোটা সংস্কারের আন্দোলন ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল। জুলাই ছিল একটি গণঅভ্যুত্থান, বিপ্লব নয়। বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আসে, কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সময়ে সেই ধরনের পরিবর্তন ঘটেনি।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা রক্ষার আন্দোলন ও গণসংস্কৃতি রক্ষার লড়াই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। সুস্থ সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।”

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও রাষ্ট্রচিন্তার নতুন পরিসর তৈরি করলেও পরবর্তীকালে বিভিন্ন পক্ষ নিজেদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, যা জুলাইয়ের সর্বজনীন চেতনাকে সংকুচিত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। আন্দোলনের পর ক্ষমতার অপব্যবহার বা অনিয়মের সমালোচনা করা মানে জুলাইকে অস্বীকার করা নয়, বরং সমালোচনামূলক মূল্যায়নই আন্দোলনের চেতনাকে শক্তিশালী করে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের নেতৃত্বে নয়, সাধারণ ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছিল। আন্দোলনের শুরু থেকেই একটি গোষ্ঠী নেতৃত্ব ও কৃতিত্ব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সংকটময় সময়ে অনেক কথিত সমন্বয়ক অনুপস্থিত থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরাই আন্দোলনকে টিকিয়ে রেখেছিলেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “জুলাইয়ের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল বাকস্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিভাজনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে সেই চেতনাকে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য আদর্শভিত্তিক সংগঠিত শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar