হ্লাথোয়াইছা চাক, রাবি প্রতিনিধি
সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ৮টা ২৫ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে ঢুকে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করেছেন রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার অনুসারীরা। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে প্রক্টর দপ্তরে অসদাচরণের জেরে সৃষ্ট উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রাকসু কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে ওই ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সূত্রপাত রোববার রাতে, যখন এক শিক্ষার্থী প্রক্টর দপ্তরে অভিযোগ জানাতে গেলে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আনাসসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রক্টরের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। সোমবার দুপুরে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ওই শিক্ষার্থী ও অভিযুক্তদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালে আনাস প্রক্টর দপ্তরে এলে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও এজিএস সালমান সাব্বির তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে আনাস ও তার সঙ্গীরা রাকসু কার্যালয়ে হামলা চালান। এতে রাকসুর মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুস শাকিব আহত হন। হামলার পর আনাস ও তার সঙ্গীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে আশ্রয় নিলে রাকসু নেতা, হল সংসদের নেতা এবং শাখা শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে তাদের মারধর করেন। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, “আমরা রাকসু কার্যালয়ে বৈঠক করছিলাম। এ সময় তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদককে আহত করে। গতকাল প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করা শিক্ষার্থীকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বললেও প্রশাসন তাকে ছেড়ে দেয়, যার ফলে আজ সে আমার ওপর হামলা চালায়।”
লাইব্রেরির ঘটনার বিষয়ে আম্মার দাবি করেন, “হামলার পর প্রক্টর আনাস ও তার সঙ্গীদের রিডিং রুমে ঢুকিয়ে বাইরে তালা লাগিয়ে দেন। পরে তাদের বের করে আনতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রশাসন দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। রাকসু ও শাখা শিবিরের পক্ষ থেকে রাকসু কার্যালয়ে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে এক ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।