1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লোহাগাড়ায় এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে দুই বিদ্যালয়, পাশের হার ৮৭.৫০ শতাংশ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

লোহাগাড়ায় এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে দুই বিদ্যালয়, পাশের হার ৮৭.৫০ শতাংশ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩৩ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া প্রতিনিধি
সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬), বিকেল ৪টা ৩১ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হারে যৌথভাবে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বীর বিক্রম জয়নুল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয় ও আমিরাবাদ জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলার ৩১টি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উভয় প্রতিষ্ঠানেই পাশের হার ৮৭.৫০ শতাংশ।

ফলাফল অনুযায়ী, পাশের হারের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চুনতি উচ্চ বিদ্যালয়, যাদের পাশের হার ৮৩.৭৯ শতাংশ। এরপর আধুনগর গুল এ জার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৮২.৩৫ শতাংশ, পশ্চিম কলাউজান শাহ মজিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ৮০.৫৬ শতাংশ, পদুয়া এ.সি.এম. উচ্চ বিদ্যালয় ৭৯.৭৯ শতাংশ, হাজী মোতাক আহমদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ৭৯.৪১ শতাংশ এবং চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয় ৭৯.৩৭ শতাংশ পাশের হার অর্জন করেছে।

তালিকায় থাকা অন্যান্য বিদ্যালয়ের মধ্যে সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৭.৭৮ শতাংশ, হাজী শামসুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৭৬.৯২ শতাংশ, এসআই চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৭৬.৮১ শতাংশ, দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৭২.৬৮ শতাংশ, মোস্তফা বেগম গার্লস উচ্চ বিদ্যালয় ৭২.৬০ শতাংশ এবং রশিদার হোনা উচ্চ বিদ্যালয় ৭১.০৮ শতাংশ পাশের হার পেয়েছে।

ফলাফলে আরও দেখা যায়, উত্তর পদুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ৬৬.৬৭ শতাংশ, আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয় ও উত্তর আমিরাবাদ এম.বি. উচ্চ বিদ্যালয় উভয়েই ৬৪.৮৯ শতাংশ, এম.এইচ. নুরুল আলম চৌধুরী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৬২.২২ শতাংশ, লোহাগাড়া সুখছড়ি উজির ভিটা উচ্চ বিদ্যালয় ৬২ শতাংশ এবং আক্তারাবাদ কুমিরা ঘোনা উচ্চ বিদ্যালয় ৬১.২৯ শতাংশ পাশের হার নিশ্চিত করেছে।

অন্যদিকে লোহাগাড়া শাহ পীর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৫৫.৯৭ শতাংশ, আধারমানিক পি.পি.সি. উচ্চ বিদ্যালয় ৫৫.৫৬ শতাংশ, চুনতি মেহেরনেছা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৫.২৬ শতাংশ, কলাউজান সুখছড়ি গৌর সুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় ৫৫.০৭ শতাংশ, পুটিবিলা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩.২৫ শতাংশ এবং বি.বি. সেনের হাট উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩.১৩ শতাংশ পাশের হার অর্জন করেছে। এছাড়া বড়হাতিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫০.৯৭ শতাংশ, কলাউজান ডা. এয়াকুব বজলুর রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয় ও গৌড়স্থান উচ্চ বিদ্যালয় ৫০ শতাংশ পাশের হার পেয়েছে। আমিরাবাদ জনকল্যাণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭.৭৩ শতাংশ এবং মাইজবিলা আলী আহমদ বীর বিক্রম উচ্চ বিদ্যালয় ৪০ শতাংশ পাশের হার নিয়ে তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে গোলামবারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর মধ্যে দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ২১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া চুনতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন, পদুয়া এ.সি.এম. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ জন এবং সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, লোহাগাড়ার ৩১টি উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে পাশের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পাশের হারের ব্যবধান ৪৭.৫০ শতাংশীয় পয়েন্ট। শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মতে, শুধু পাশের হার নয়, জিপিএ-৫, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, নিয়মিত উপস্থিতি এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফল মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। পিছিয়ে থাকা বিদ্যালয়গুলোতে ফলাফল উন্নয়নে বিশেষ একাডেমিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar