মনির আহমদ আজাদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
সোমবার (১০ আগস্ট, ২০২৬), সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ফলাফল প্রকাশের নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা পেরিয়ে ৮২ দিন অতিবাহিত হলেও বিএনএস (BNS) পরিবারের হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ফলাফল সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে না। এই দীর্ঘসূত্রতায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত দুর্বলতাকে দায়ী করে দ্রুত ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
একজন অভিভাবক জানান, তাঁর মেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে এ প্লাস অর্জন করলেও সার্ভারে ফলাফল না থাকায় তা দেখতে পারছে না। তিনি বলেন, “আমার মেয়েটা ঠিকমতো না খেয়ে, রাতের পর রাত জেগে যে এ প্লাস ছিনিয়ে আনল, তার সেই আবেগকে অবজ্ঞা করার স্পর্ধা আপনাদের হয় কী করে?”
তিনি আরও বলেন, “৬০ দিনের ফল যখন ৮২ দিনেও সার্ভারে পাওয়া যায় না, তখন কর্তৃপক্ষের নিলজ্জ অব্যবস্থাপনার চেহারা স্পষ্ট হয়ে যায়। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষাকে আপনারা স্রেফ তামাশায় পরিণত করেছেন।”
ফলাফল প্রকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় ওয়েবসাইট অচল থাকা বা সার্ভারে তথ্য না থাকাকে গ্রহণযোগ্য প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন অভিভাবকরা। তাঁদের অভিযোগ, ফলাফল প্রকাশের আগে সার্ভারের সক্ষমতা যাচাই বা পর্যাপ্ত ব্যাকআপ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে।
ভুক্তভোগী অভিভাবক বলেন, “বিএনএস পরিবারের হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে এই মূর্খতা আর চাটুকারী সিস্টেমের নাটক দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত। মেধার এই নির্মম অবমাননা রুখতে সরকারকে এখনই কঠোর ও সচেতন হতে হবে।”
শিক্ষার্থীদের ফলাফল দ্রুত সার্ভারে প্রকাশ, ওয়েবসাইটের সক্ষমতা নিশ্চিত এবং এই দীর্ঘসূত্রতার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন অভিভাবকরা। একই সঙ্গে ফলাফল ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানিয়েছেন তারা।