নজরুল ইসলাম, যশোর প্রতিনিধি
১৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯টা ৫২ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার অদম্য মেধাবী সুমাইয়া খাতুন সেলাই সেন্টারে কাজ করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। অভাবের সংসারে নিজের পড়ার খরচ জোগাতে মায়ের সঙ্গে সেলাইয়ের কাজ করলেও অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে এই সাফল্য অর্জন করেছে সে। তবে ভালো ফলাফলের আনন্দ ছাপিয়ে এখন উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে তার পরিবার।
সুমাইয়া মণিরামপুর কারিগরি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার বাবা আবু দাউদ মোল্লা একজন দিনমজুর এবং মা নাছিমা খাতুন সেলাই সেন্টারে কাজ করেন। চার সদস্যের পরিবারে অভাব নিত্যসঙ্গী হওয়ায় পড়াশোনার খরচ জোগাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে সুমাইয়া নিজের পড়ার খরচ জোগাতে বাড়ির পাশের সেলাই সেন্টারে কাজ শুরু করে।
সুমাইয়ার মা নাছিমা খাতুন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মেধাবী সুমাইয়ার পড়াশোনার প্রতি খুব ঝোঁক। মেয়েকে ভালো কাপড় কিনে দিতে পারিনি, পড়াশোনার খরচও জোগাতে পারিনি। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি হলেও ভবিষ্যতের খরচ জোগানো নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি।”
প্রতিবেশী আইয়ূব আলী বলেন, “অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে দারিদ্র্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তার উদাহরণ সুমাইয়া।”
আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে সুমাইয়ার উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিত্তবানদের সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।