নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর), বিকেল ৪টা ৩২ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সরকারের অনুমোদিত নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর (নবম পে-স্কেল) সুবিধা পাবেন দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যার ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটল।
এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুমোদন করা হয়। তবে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি। এ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় চার লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া
নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনও সংশ্লিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী বাড়বে। নতুন কাঠামোয় ২০টি গ্রেডই থাকছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। ফলে মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়ার পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
নতুন বেতনকাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে মূল বেতন কার্যকর হবে এবং ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ভাতাগুলো একযোগে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের বিবেচনায় নিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ গ্রেডগুলোর জন্য প্রথম ধাপে চলতি বছরের জুলাই থেকে ৫০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে আরও ২৫ শতাংশ এবং একই বছরের জুলাই থেকে অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ কার্যকর হবে।
অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের চাকরিজীবীদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হবে। নতুন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও তাদের বর্তমান গ্রেড অনুযায়ী বর্ধিত মূল বেতন ও পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ভাতার সুবিধা পাবেন।