1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সরকারি স্কুল-কলেজের অব্যয়িত হাজার কোটি টাকা কোষাগারে নিতে চায় সরকার - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

সরকারি স্কুল-কলেজের অব্যয়িত হাজার কোটি টাকা কোষাগারে নিতে চায় সরকার

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৬ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর), সন্ধ্যা ৭টা ৩৬ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সারা দেশের সরকারি স্কুল ও কলেজগুলোর তহবিলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা অব্যয়িত হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা পাওয়ার পর কলেজগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা অব্যয়িত অর্থের হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয়যোগ্য এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা যায়, ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অন্তত ২৫-৩০টি খাতে ফি নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছাত্র সংসদ ফি ও অন্যান্য খাতের অনেক টাকা প্রতি বছর ব্যয় করা সম্ভব হয় না। ফলে বড় অঙ্কের অর্থ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে আছে। সম্প্রতি ২৮টি বড় কলেজের হিসাব জমা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২০টি কলেজের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কেবল ছাত্র সংসদ ও অন্যান্য খাতে শতকোটি টাকার বেশি অব্যয়িত রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (নিরীক্ষা) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছরের অব্যয়িত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা, যা দীর্ঘদিন মানা হচ্ছে না। তাই অব্যয়িত টাকা জমা দেওয়ার জন্য মাউশির মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশ না মানলে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ভাষ্য, অনেক খাতের টাকা প্রতি বছর খরচ হয় না, যা দুই-তিন বছর পর বড় কোনো আয়োজনে ব্যয় করা হয়। এছাড়া খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ, আসবাবপত্র মেরামত ও জরুরি প্রয়োজনে এই তহবিলের অর্থের ওপর নির্ভর করতে হয়। করোনা ও সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতির কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় অব্যয়িত টাকার পরিমাণ বেড়েছে।

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কে এম ইলিয়াস বলেন, ছাত্র সংসদ ফি নেওয়া এখন বন্ধ রয়েছে, তবে মন্ত্রণালয় অব্যয়িত টাকা জমা দেওয়ার জন্য তদারকি করছে। কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানান, যে টাকা নেওয়া হয় তা শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই ব্যয় হয়। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য তারা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সরকার অর্থ কোষাগারে নিতে চাইলেও প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা সংকটের আশঙ্কায় আপত্তি জানাচ্ছেন। সরকার টাকা না নিয়ে বরং প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar