নজরুল ইসলাম, যশোর প্রতিনিধি
১৮ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোর শহরের জেল রোডে অবস্থিত উত্তরা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর উর্মি খাতুন নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অপচিকিৎসার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। তাদের দাবি, অপারেশনের পর রোগীর জ্ঞান না ফেরায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
নিহত উর্মি খাতুন বাঘারপাড়া উপজেলার নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের স্ত্রী। শনিবার সকালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য তাকে উত্তরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির ৩০ মিনিট পর চিকিৎসক ফারহা দিবা তার অপারেশন করেন। এ সময় তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনের পর থেকে উর্মির জ্ঞান ফেরেনি। একপর্যায়ে তার ক্ষতস্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সন্ধ্যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে খুলনায় রেফার করে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর পর স্বজনেরা জানতে পারেন, এর আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
মৃতের ভাসুর তুহিন হোসেন বলেন, “হাসপাতালে ভর্তির সময় আমার ভাবি সুস্থ ছিলেন। কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশনের পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ ঘটনায় মামলা করব।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেন সংকটাপন্ন রোগীকে খুলনায় রেফার করল এবং কেন তাকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনেরা। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক ফারহা দিবাকে ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।