1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের চিন্তা সরকারের - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসামে উচ্ছেদ অভিযান: মসজিদসহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শত শত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের তথ্য গুজব: পেট্রোবাংলা নেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত করার উদ্যোগ ডেপুটি স্পিকারের নাসিরনগরে অটোচালক হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার, ঘটনাস্থল দেখালেন ঘাতক ফান্দাউক পণ্ডিতরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ ও নতুন একাডেমিক ভবন শুভ উদ্বোধন বাঘারপাড়ায় মা-ছেলেকে হত্যার রহস্য উদঘাটন, স্বামী আটক কারমাইকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের চিন্তা সরকারের

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬), দুপুর ১২টা

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে পরপর দুবার বা তার বেশি শূন্য পাস করা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আশপাশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত বা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করছে সরকার।

গত শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলাফলের এই ভরাডুবির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এবার ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, যা গতবার ছিল ২০২টি। এর মধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই কাগুজে এবং পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সংকটে ভুগছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, অনেক এলাকায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। মূলত এমপিও পাওয়ার আশায় স্থানীয়ভাবে এসব প্রতিষ্ঠান করা হয়, যেখানে পড়াশোনার পরিবেশ নেই। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে, তাদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে।”

গাইবান্ধার ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান রশিদ জানান, প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। বিনা বেতনে পড়াতে গিয়ে অনেক শিক্ষক আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন, যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে।

একীভূতকরণের পরিকল্পনা

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোকে কাছাকাছি অবস্থিত অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই।”

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান বলেন, “শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। বিগত ৫ বছরের শিক্ষার্থী, পাসের হার ও শিক্ষকদের তথ্য পর্যালোচনা করে এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar