1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লাইব্রেরি রুমে পানি খাওয়ায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষক - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

লাইব্রেরি রুমে পানি খাওয়ায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষক

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৪০৮ জন খবরটি পড়েছেন

অনাথ মন্ডল, শ্যামনগর।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী বাবা আবুল হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে ১০৩ নম্বর সেন্ট্রাল আবাদ চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম এস এম শহিদুল ইসলাম।তিনি আবাদ চন্ডিপুর বনবিবি তলার মৃত নুরবান সরদারের পুত্র ।

আহত শিক্ষার্থী আবুল হোসেন মেয়ে আনিসা আক্তার ঐ‌ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ।

আহত শিশুটির পিতা আবুল হোসেন বলেন, আমি বাড়িতে আসার কিছুক্ষণ পর মেয়ে এসে কাঁদতে থাকে। তার কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে স্যার আমাকে মেরেছে আমার হাতে প্রচুর যন্ত্রণা হচ্ছে আমি সহ্য করতে পারছি না। অবস্থা বেগতিক দেখে আমি তাৎক্ষণিক স্থানীয় ডাক্তার অনিমেষ এর কাছে চিকিৎসা করাই।

ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখে আমাকে বলেন, অবস্থা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে আপনি ভাল ডাক্তার দেখান। পরবর্তীতে আমি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার হাতের এক্সরে করানোর কথা বলেন। এক্সরে রিপোর্টে দেখা যায় তার বাম হাতের কব্জির দুইটা হাড় ভেঙে গেছে। এখন আছি বিভিন্ন হুমকি ধামকিতে, অভিযুক্ত শিক্ষককের বড় ভাই স্থানীয় মেম্বার হওয়ায় বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন একে তো মেয়েকে মারার কোন বিচার পাচ্ছি না, অন্যদিকে নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগছি। আনিশার মা শাহানা পারভীন বলেন, আমি এই স্কুলের বিদ্যুৎসাহী সদস্যা হিসাবে বিগত দিনে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক এস এম শহিদুল ইসলামকে একই অপরাধে বার বার সতর্ক করেছি। কিন্তু তিনি স্থানীয় হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটির কোন কথাই তোয়াক্কা করেন না।

একই দিনে ঘটে যাওয়া অন্য শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা জানান, এই খ্যাপা শিক্ষকের এটা কোন নতুন ঘটনা নয়, অভিযুক্ত শিক্ষক আগে থেকেই বেপরোয়া।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শিক্ষক শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তাঁর ব্যবহারিত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌভিক রায় বলেন, শিক্ষার্থীদের মারধর করেছে বলে শুনেছি। তবে আমি তখন বিদ্যালয়ে ছিলাম না। উপজেলা মাসিক মিটিং ছিলাম। পরে ঘটনাটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিজ মিয়া জানান, আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান আমি প্রধান শিক্ষককে নির্দেশনা দিয়েছি সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার জন্য। এ ঘটনায় জড়িত সরকারি শিক্ষক এসএম শহিদুল ইসলামকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানিয়েছে অভিভাবক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar