1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৫২ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি খনির খন্ড সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসায় - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

৫২ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি খনির খন্ড সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসায়

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৫৬ জন খবরটি পড়েছেন

মোঃ নাজমুল ইসলাম সবুজ বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খনির খন্ড সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসাটি অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে জরাজীর্ণ ভবনে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। চার যুগ পার হয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটিতে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি।

১৯৭০ সালে টিন, কাঠ, বাশের স্থাপনায় মাদরাাসাটি যাত্রা শুরু করে। টানা ৫২ বছর পাঠদান চলছে সেই ভাংগা ঘরে। মাটি ধুয়ে নেমে গেছে। ধসে পড়তে পারে যে কোন সময়। এমনই অবস্থার মধ্যে ঝুকি নিয়ে, কাদা-মাটি ও ভাংগা বেঞ্চে ভর করে সেখানে লেখাপড়া করছেন ৩ শাতাধিক শিক্ষার্থী।

সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল হামিদ হাওলাদার জানান, এটি ঘনবসতি এলাকা। এখানে এবতেদায়ী শাখা থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ৩৩০ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী রয়েছেন। দিনদিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। ভালো হচ্ছে রেজাল্টও। কিন্তু, স্থাপিত হওয়ার পর থেকে আজঅবধি কোন প্রকার উন্নয়নের দেখা মেলেনি।

৫২ বছরে অফিস, শ্রেণিকক্ষসহ গোটা স্থাপনা ক্ষয় হয়েছে। বিপর্যস্ত পরিবেশে এখন পাঠদান চালানো হচ্ছে। প্রায় ৩ বছর ধরে ১৮ জনের স্থলে শিক্ষক রয়েছেন ১২ জন। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারির পদ শুণ্য ৩টি। কর্মরত শিক্ষকদের বেতনের টাকা থেকে কিছু টাকা কেটে ইংরেজি ও গনিত বিষয়ের জন্য স্থানীয়ভাবে দু’জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে লেখা-পড়ার মান ঠিক রাখার জন্য।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াদ হাসান বলেন, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্তরে সারাদেশেই শিক্ষক সংকট। এ সমস্যা সমাধানে সরকার ইতিমধ্যে এনটিআরসি’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া শুরু করেছে। এ উপজেলায় শিক্ষকের চাহিদা দিয়ে আবেদন করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। শিক্ষক সংকট বেশিদিন থাকবে না।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar