1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
দেবহাটা ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের দূর্নীতি - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে

দেবহাটা ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের দূর্নীতি

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ২৪০ জন খবরটি পড়েছেন

দেবহাটা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি। দেবহাটা নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

এর মধ্যে নামে মহিলা মাদ্রাস অথচ ছেলে মেয়ে ভর্তি আছে ওখানে ক্লাস করে উক্ত মাদ্রাসার কমিটির সদস্য মোঃ সামসুর রহমান সহ অনেক সদস্যরা অভিযোগ করেন মাদ্রাসা সুপার আবুল বাশার বহু টাকা আত্মসাৎ ও নিয়োগের নামে বহু টাকা বাণিজ্য করেন। এছাড়া ঘোনাপাড়া-মহিলা মাদ্রাসার সব দাখিল পরীক্ষার্থীই ভূয়া দেখিয়ে এমপিও করা হয়েছে। তা শুধু কাগজ কলমে সীমাবদ্ধ রয়েছে। তারই সত্যতা মিলেছে ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষাতে।

ওই প্রতিষ্ঠানটিতে ১৮ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দিনে ৭ জন উপস্থিত ছিল। ২য় ও ৩য় দিনের পরীক্ষায় ওই ১৮ জনের একজনও অংশ নেয়নি। পরে বিষয়টি খোঁজ নিলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

অভিযুক্ত আবুল বাশার উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের জিয়াদ আলীর ছেলে ও ঘোনাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার। ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর ঘোনাপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশার জালিয়াতি করে এবতেদায়ী পরীক্ষায় ৯ ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ ধরা পড়ে। ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরে শতাধিক বাল্যবিয়ে দেওয়ায় অপরাধে ম্যারেজ রেজিষ্টার ও মাদ্রাসা সুপার আবুল বাশার গ্রেফতার হন। এছাড়া চেক জালিয়াতি মামলায় বেশ- কিছুদিন আগে দেবহাটা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে সে ঘোনাপাড়া রহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুস সাত্তারকে কৌশলে সরিয়ে নিজে এই পদ দখল করেন। এরপর পুরাতন শিক্ষকদের পরিবর্তে নতুন শিক্ষক নিয়োগের নামে চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। জেডিসি ও দাখিল পরীক্ষায় ভূয়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসানো, শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদ বিক্রিসহ অসংখ্য জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রাখি জানান, গত বছর ২০২০ সালে সে দশম শ্রেণিতে পড়াকালে পাখি নামে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এবছর নিজে পরীক্ষার্থী হয়েও সে পরীক্ষা দিতে পারেনি। রেজিস্ট্রেশনের অন্নহাতে তাকে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়নি বলেও অভিযোগ করেছে সে। আর এক শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন জানান, শুধু সে নয় তার মত তাদের বান্ধবী আয়েশা, মাসুমা ও শার- মিন এবছর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। কুলসুম নামের এক নারী জানান, তিনি ২৬ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তবে পরীক্ষার প্রবেশপত্র তার কাছে নেই। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে তাদের হাতে থাকা প্রবেশপত্র সুপারকে দিয়ে দিতে হয়।

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে স্থানীয় সামছুর রহমান বাদি হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জেলা প্রশাসক ও জেলা অফিসারের কার্যালয় বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, মাদ্রাসার সুপার এমপিও করার পূর্বে পুরাতন শিক্ষকদের বাদ দিয়ে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করেছে। সে খুব ধুরন্ধর হওয়ায় বার বার অপরাধ করেও অদৃশ্য শক্তির বলে পার পেয়ে যান।

মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশারের দুর্নীতির কারণে দেবহাটা পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন আমি দুর্নীতির কালোবাজারি সাথে থাকতে চাইনা আমি ওই মাদ্রাসার থেকে সভাপতি পদে। পদ হতে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম। এদিকে, মাদ্রাসার সুপার আবুল বাশারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। ২য় দিনের পরীক্ষায় কেউ অংশ না নেওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টির সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar