1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
১৬ বছর পরও ঘূর্ণিঝড় আইলার ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে উপকূল - bdtelegraph24.com
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদা না পেয়ে লুটপাট: কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে জিম্মি ব্যবসায়ী ও প্লট মালিকরা শ্যামনগরে জিম্মিদশা থেকে যুবককে উদ্ধার করলো পুলিশ খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই টাঙ্গাইলে বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর বাসরঘরে বরের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইসাইয়াস’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা: পাইলটসহ নিহত ৩ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সিএনজি চালক সুমন আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ খাদে, দুই আসামিসহ আহত ৫ টঙ্গীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নারী গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

১৬ বছর পরও ঘূর্ণিঝড় আইলার ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে উপকূল

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
  • ১১১ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

২০০৯ সালের ২৫ মে উপকূলীয় জনপদে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’র ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা ও খুলনার বহু মানুষ এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। ঘূর্ণিঝড়ের পর সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস ও বেড়িবাঁধ ধসে গৃহহীন হয়ে পড়া লাখো মানুষের জীবন এখনো থমকে আছে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও সুপেয় পানির সংকটে।

শ্যামনগর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, শুধুমাত্র সাতক্ষীরাতেই মারা যায় ৭৩ জন, আহত হন আরও দুই শতাধিক। গৃহহীন হয়ে পড়ে প্রায় ৬ লাখ মানুষ। ধ্বংস হয় ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি, ৩৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শতাধিক ধর্মীয় উপাসনালয়।

উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে এখনো সুপেয় পানির তীব্র সংকট রয়েছে। অনেক সময় কয়েক কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয় নিরাপদ পানির সন্ধানে। বেড়িবাঁধগুলো আজও পুরোপুরি মেরামত হয়নি। বেশ কিছু পয়েন্টে এখনো রয়েছে ভয়াবহ ফাটল, যা নতুন করে দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি করছে।

২০০৯ সালের প্রলয়ংকরী আইলা সাতক্ষীরা ও খুলনার বিস্তীর্ণ এলাকাকে করে তোলে লবণাক্ত ও বসবাসের অনুপযোগী। ফলে এই অঞ্চলের কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সবুজ বনানী হারিয়ে যায় লবণাক্ত পানির দখলে, আর জায়গা নেয় মাছের ঘের।

২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড় আম্পান নতুন করে আঘাত হানলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধের নিচু ও দুর্বল অবস্থা তাদের করে তোলে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, মানুষ এখনো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ৩৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধকে টেকসই রূপে রূপান্তর করা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে বাকি বাঁধগুলোর কাজ চলছে।

তবে এলাকাবাসীর দাবি—এখনই প্রয়োজন টেকসই বেড়িবাঁধ, সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাট উন্নয়নের কার্যকর পদক্ষেপ, যাতে আরও একটি আইলা আর তাদের জীবন থামিয়ে দিতে না পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar