1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শ্যামনগরে থ্যালাসেমিয়া রোগীকে রক্ত না দিয়ে ওয়ার্ড থেকে বের করে দিলেন নার্স - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নবাগত এসিল্যান্ড নুসরাত জাহানের যোগদান নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হবার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের বোচাগঞ্জে ভিয়েতনামি কালো ধানে কপাল খুলেছে রকিবুলের জাবিতে গাইবান্ধার শিক্ষার্থীদের মাঝে দেড় লক্ষাধিক টাকার শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

শ্যামনগরে থ্যালাসেমিয়া রোগীকে রক্ত না দিয়ে ওয়ার্ড থেকে বের করে দিলেন নার্স

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ১৫৯ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি- থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত আবু সাঈদ

প্রতিনিধি, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর মুমূর্ষ থ্যালাসেমিয়া রোগীকে ওয়ার্ডে রক্ত না দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা প্রিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার রাত নয়টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত রোগী হলেন উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পাশে খালি গ্রামের ইয়াসিন গাজীর ছেলে আবু সাঈদ (১১)।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আবু সাঈদের মা মর্জিনা খাতুন বলেন, আমার ছেলে তিন মাস বয়স থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। প্রতিমাসে রক্ত দিতে হয়। আমি বাচ্চাকে নিয়ে সকাল আটটার সময় শ্যামনগর হসপিটালে ওয়ার্ডে বসে ছিলাম রক্ত যোগাড় করতে পারছিলাম না। রক্তের গ্রুপ বি নেগেটিভ হওয়ায় রক্ত জোগাড় করতে রাত প্রায় ৯ টা বেজে যায়। জরুরিভাবে ভর্তি করে ওয়ার্ডে রক্ত দিতে গেলে নার্স রক্ত দিতে পারবে না বলে আমাকে বাচ্চা নিয়ে চলে যেতে বলে। আমি তখন কাকুতি মিনতি করে বলি বাচ্চাকে রক্ত না দিলে বাচ্চা মারা যাবে আপনি রক্তটা দেন। আমার বাচ্চার কোন ক্ষতি হলে আপনাদের দায় থাকবে না। তারপরও সে আমাকে বেরিয়ে যেতে বলে। পরে আমি বাচ্চা নিয়ে জরুরি বিভাগে গেলে তারা আমার বাচ্চাকে ওইখানে রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়।

তিনি আরো বলেন, ওই নার্স তিন মাস আগে রক্ত দেওয়া অবস্থায় আমাদেরকে সাতক্ষীরায় পাঠিয়ে দেয়। এর আগেও আমার দুইটা সন্তান রক্তস্বল্পতার কারণে মারা গিয়েছে। এই সন্তানের অবস্থাও খারাপ। বি নেগেটিভ রক্ত হওয়ার কারণে জোগাড় করতে খুব কষ্ট হয়।

অভিযোগের বিষয়ে নার্স প্রিয়া বলেন, রাতে রক্ত দিলে বহু সমস্যা হয়। রাতে ডাক্তার ঠিকমতো পাওয়া যায় না। তাই আমি তাকে বলেছিলাম জরুরী বিভাগের ডাক্তার আছে কিনা একটু দেখে আসেন। এর বেশি তাকে আমি কিছু বলিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার জিয়াউর রহমান এর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন ঘটনা ঘটার কথা না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar