1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
একই পরিবারের তিন সন্তানের মর্মান্তিক বিদায় - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহারে প্রশাসনের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক পাবনায় ৩৫৫টি মন্দিরে হবে শারদীয় দুর্গাপূজা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ প্রমিলা কাবাডির প্রথম আসরের শিরোপা জুরাছড়ির কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের ১৩তম জাতীয় ক্যাম্প শুরু রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় আটক ৯ নরসিংদী তিন উপজেলায় বাড়ছে সবজির দাম, সিন্ডেকেট কে দায় করলেন কৃষক বাহাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে বঞ্চিত করে জুনিয়রকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করার অভিযোগ পাবনা বিচার বিভাগের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

একই পরিবারের তিন সন্তানের মর্মান্তিক বিদায়

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ২০৮ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ গেছে একই পরিবারের তিন শিশুর। তারা হলেন ১০ বছরের আরিয়ান, ৯ বছরের বাপ্পি ও হুমায়ের। সোমবারের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অকালেই থেমে গেল তিনটি কোমল প্রাণের পথচলা।

স্কুল ও কোচিং ক্লাস শেষে ঘরে ফেরার কথা থাকলেও, বাড়ি ফিরেছে তাদের নিথর দেহ। দিয়াবাড়ির তারারটেক মসজিদের পাশেই পাশাপাশি তিনটি কবরে শায়িত করা হয়েছে শিশুদের। জানাজায় অংশ নেয় শতাধিক মানুষ; শোকে স্তব্ধ এলাকাবাসী, সহপাঠী ও স্বজনরা।

নিহতদের মধ্যে বাপ্পি ছিলেন মোহাম্মদ আবু শাহিনের ছেলে, হুমায়ের তার ভাইয়ের সন্তান এবং আরিয়ান শাহিনের চাচাতো ভাই। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা হলেও বয়স ও পড়াশোনায় ছিল সহপাঠী ও বন্ধু। তিনজনই প্রতিদিন একসঙ্গে স্কুলে যেত এবং একসঙ্গে বেড়ে উঠছিল।

ঘটনার সময় মি. শাহিন জোহরের নামাজ শেষে স্কুলে ছেলেকে আনতে যাচ্ছিলেন। পথেই বিস্ফোরণের শব্দ শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, “আমার ছেলে যে ক্লাসে পড়ে, তার আগের ক্লাসে বিমানটা ঢুকেছে। তখনই বুঝেছি, আমার ছেলে আর নাই।”

দুর্ঘটনার পর আহত অবস্থায় বাপ্পি ও আরিয়ানকে উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তারা। হুমায়ের ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।

বেঁচে যাওয়া সহপাঠী রাইয়ান আফনান জানান, দুর্ঘটনার সময় সে বাইরের লাইব্রেরিতে থাকায় অল্পের জন্য রক্ষা পায়।

এ ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে, যাদের মরদেহ তাদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

একের পর এক কফিনে শিশুদের বাড়ি ফেরা, বিদায়ের কান্না আর স্বজন হারানোর বেদনায় কেঁপে উঠেছে পুরো তারারটেক এলাকা। এই ঘটনা একদিকে শোক, অন্যদিকে ক্ষোভও ছড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar