দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রুশাইদ আহমেদ, বেরোবি।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর কর্তৃক প্রেরিত এক শোকবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অনন্য ব্যক্তিত্ব আখ্যা দিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশ পরিচালনায় দৃঢ়তা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন খালেদা। গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি আজীবন আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি—যা তাঁকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে বলে মন্তব্য করেন শওকাত আলী।
বিবৃতিতে বেরোবি উপাচার্য বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে খালেদা জিয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বিশ্বাস করতেন—শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিকই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি।
একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে খালেদা জিয়া দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান এবং শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতির ধারা গড়ে তোলায় তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সংগ্রামী জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।