1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রামেকে টেন্ডার ও নিয়োগ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে বাণিজ্য  - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হবার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের বোচাগঞ্জে ভিয়েতনামি কালো ধানে কপাল খুলেছে রকিবুলের জাবিতে গাইবান্ধার শিক্ষার্থীদের মাঝে দেড় লক্ষাধিক টাকার শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি

রামেকে টেন্ডার ও নিয়োগ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে বাণিজ্য 

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৮ জন খবরটি পড়েছেন

আবু কাওসার মাখন 

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজশাহী ব্যুরো ।

 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে টেন্ডার বাণিজ্য, আউটসোর্সিং, নিয়োগ ও বিভিন্ন সেবা খাতে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এস.এম রাশিদুল সালেকিন (সুমন), পিএ-র নেতৃত্বে একটি চক্র এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং ওয়ার্ড মাস্টারসহ ৮-১০ জন ব্যক্তি এতে জড়িত।

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০০৪ সাল থেকে এই সিন্ডিকেটের একচ্ছত্র আধিপত্য চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং অভিযুক্ত সুমনকে অন্যত্র বদলিও করা হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া এলাকার শরীফা বেগমের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা নেন রামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী ও মো. শহিদুল। তাকে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কন্ট্রোল রুমে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে কাজ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে তাকে পরিচয়পত্র ও পোশাক দেওয়া হলেও নিয়মিত বেতন দেওয়া হয়নি—কখনও ২,৫০০, কখনও ৪,৫০০ টাকা দেওয়া হতো বলে অভিযোগ।

করোনাকালে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর পুনরায় কাজে যোগ দিলে চাকরি স্থায়ী করার কথা বললে অভিযুক্তরা অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তার কাছ থেকে জোরপূর্বক পরিচয়পত্র ও পোশাক কেড়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

এ ঘটনায় রামেক পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী নারী (আমলী আদালত রাজপাড়া) মামলা করেন (মামলা নং- ৪৩৭, তারিখ: ০১/১২/২০২৪)। তবে এখনো তিনি টাকা ফেরত পাননি বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া, ওয়ার্ড মাস্টার মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে হাসপাতালের কোয়ার্টারে বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত ইউনিট ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ২০২৪ সালের ১ জুন সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. আবু তালেব তার কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন (স্মারক নং: রামেক হা/প্রশা/২০২৪/২৬৬০)। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপপরিচালক ডা. হাছানুল হাবিব ও রামেকের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. আবু তালেব-এর ছত্র ছায়ায় থেকে পি-এ এস.এম রাশিদুল সালেকিন সুমন বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন-সহ রামেকে দাপটের সাথে আজ আবদি রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সিন্ডিরকেট বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সদ্য যোগদানকৃত রামেক পরিচালককে সহযোগীতা না করা, নিজেদের মতো করে হাসপাতাল পরিচালনা করায় হাসপাতালের ভুন্ডুল অবস্থা বিরাজ করছে।

সম্প্রতি ৩৩জন শিশুর মৃত্যু পুরো দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। তারপরও এই সিন্ডিকেট হাসপাতালের সুনাম রক্ষায় কোন প্রকার কাজ করছেন এমন কোন উদাহরণ তৈরী করছেন না বলেও অভিযোগ। ফ্যাসিস্ট আমলের এই সিন্ডিকেট বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তী নষ্ট করতে এবং চিকিৎসা খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সক্রিয় ভুমিকায় রয়েছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সার্বিক বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব,  স্বাস্থ্য ডিজি ও রামেকের সাবেক পরিচালক বরাবর অভিযোগ দেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

রামেক হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে এর আগেও একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে চাকরির নামে প্রতারণা, ঘুষ গ্রহণ, মানববন্ধন এবং কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ উঠে আসে।

অভিযোগ রয়েছে, এতসব অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেবল সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ভুক্তভোগীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। 

এ বিষয়ে রামেকের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. আবু তালেব বলেন, হাসপাতালের সার্বিক বিষয় তদারকি করেন পরিচালক। বিস্তারিত জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।

উপপরিচালক ডা. হাছানুল হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত পি-এ এস.এম রাশিদুল সালেকিন সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সিন্ডিকেটের কারণে হাসপাতালের সেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ রোগী ও চাকরি প্রত্যাশীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এ ব্যপারে রাজশাহী মেডিকেল (কলেজ) রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম এর মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar