ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে।
বুধবার জারি করা ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকরিতে অন্তত দুই বছর পূর্ণ করলে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একবার বদলির পর পুনরায় আবেদন করতে হলে আরও দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একজন শিক্ষক তার পুরো কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। প্রতি বছর সরকার নির্ধারিত সময়ে শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হবে।
বদলির ক্ষেত্রে নিজ জেলা অগ্রাধিকার পেলেও সেখানে পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল বিবেচনায়ও বদলি অনুমোদন করা হবে।
এছাড়া, একটি প্রতিষ্ঠানে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন এবং একটি বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে একসঙ্গে বদলি করা হবে না। আবেদনকারীরা অনলাইনে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রমে দিতে পারবেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। বদলির পরও শিক্ষকদের এমপিও, জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধা বহাল থাকবে।
তবে যেসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চলমান রয়েছে, তারা এই বদলির জন্য যোগ্য হবেন না।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নীতিমালাটি জারির দিন থেকেই কার্যকর হবে।