1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সেলাইয়ের কাজ করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫, উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সুমাইয়া - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সেলাইয়ের কাজ করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫, উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সুমাইয়া

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫১ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম, যশোর প্রতিনিধি
১৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯টা ৫২ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার অদম্য মেধাবী সুমাইয়া খাতুন সেলাই সেন্টারে কাজ করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। অভাবের সংসারে নিজের পড়ার খরচ জোগাতে মায়ের সঙ্গে সেলাইয়ের কাজ করলেও অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে এই সাফল্য অর্জন করেছে সে। তবে ভালো ফলাফলের আনন্দ ছাপিয়ে এখন উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে তার পরিবার।

সুমাইয়া মণিরামপুর কারিগরি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার বাবা আবু দাউদ মোল্লা একজন দিনমজুর এবং মা নাছিমা খাতুন সেলাই সেন্টারে কাজ করেন। চার সদস্যের পরিবারে অভাব নিত্যসঙ্গী হওয়ায় পড়াশোনার খরচ জোগাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে সুমাইয়া নিজের পড়ার খরচ জোগাতে বাড়ির পাশের সেলাই সেন্টারে কাজ শুরু করে।

সুমাইয়ার মা নাছিমা খাতুন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মেধাবী সুমাইয়ার পড়াশোনার প্রতি খুব ঝোঁক। মেয়েকে ভালো কাপড় কিনে দিতে পারিনি, পড়াশোনার খরচও জোগাতে পারিনি। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি হলেও ভবিষ্যতের খরচ জোগানো নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি।”

প্রতিবেশী আইয়ূব আলী বলেন, “অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে দারিদ্র্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তার উদাহরণ সুমাইয়া।”

আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে সুমাইয়ার উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিত্তবানদের সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar