1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাগুরা হাসপাতালে রোগীর চাপ তিনগুণ, মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭০০ রোগী - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরা হাসপাতালে রোগীর চাপ তিনগুণ, মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭০০ রোগী দেশের ৪ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস গৌরীপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও কৃষিমন্ত্রী বরাবর আবেদন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে দুর্গাপুরে প্রস্তুতি সভা ভারতে উচ্চস্বরে আজান: মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মসজিদের মাইক জব্দ শ্যামনগরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষকসহ দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসির ফল প্রকাশের প্রস্তাব কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ ন্যাশনাল ব্যাংককে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

মাগুরা হাসপাতালে রোগীর চাপ তিনগুণ, মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭০০ রোগী

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ জন খবরটি পড়েছেন

জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১১টা ৩০ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রোগীর চাপ ধারণক্ষমতার তিনগুণ ছাড়িয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। নির্ধারিত শয্যা পূর্ণ হওয়ায় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাত শতাধিক রোগী। অতিরিক্ত রোগীর চাপে শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি।

মঙ্গলবার সরেজমিনে হাসপাতালে দেখা যায়, নিচতলা থেকে পাঁচতলা পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ডে রোগীদের ব্যাপক ভিড়। ঠান্ডা, জ্বর, কাশি, ডেঙ্গু, হাম, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক রোগী ভর্তি হচ্ছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০ জন শিশু এবং ৩০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রয়েছেন।

মেঝেতেও জায়গা সংকুলান না হওয়ায় রোগী ও স্বজনদের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। এর মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শিশু ও বয়স্ক রোগীদের কষ্ট আরও বাড়ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চিকিৎসা নিতে আসা তানিয়া খাতুন বলেন, “এত গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ থাকে না। শিশুদের নিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে। অসুস্থ বাচ্চাকে নিয়ে শয্যা না পেয়ে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। তারপরও কিছু করার নেই, বাচ্চাকে সুস্থ করতে হলে এই কষ্ট মেনে নিয়েই থাকতে হচ্ছে।”

সেবা প্রদানে হিমশিম কর্তৃপক্ষ

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. মহোসিন উদ্দীন ফকির বলেন, “হাসপাতালে অনুমোদিত শয্যা রয়েছে ২৫০টি। কিন্তু বর্তমানে রোগী ভর্তি রয়েছে ৭০০ জনেরও বেশি। নির্ধারিত শয্যার তুলনায় প্রায় তিনগুণ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারপরও আমরা রোগীদের শতভাগ সেবা দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar