গাজায় ইসরায়েলি হামলা ও দুর্ভিক্ষে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৩ জন প্রাণ হারান ত্রাণ সংগ্রহের সময়। একই সময়ে অনাহার ও অপুষ্টিতে মারা গেছেন আরও ৫ জন, এর মধ্যে দুজন শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এ নিয়ে অনাহারে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২২-এ, যাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই শিশু।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং দেড় লাখেরও বেশি আহত হয়েছেন। নতুন ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে ত্রাণ নিতে গিয়ে দুই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে গাজা শহরকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। এতে প্রতিদিনের মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য দেওয়া বিরতি বন্ধ হয়ে গেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার ভেতরে প্রবেশের প্রায় অর্ধেক মানবিক কার্যক্রম ইসরায়েলি বাধার কারণে ব্যাহত হয়েছে।
জাতিসংঘ ও ইউনিসেফ সতর্ক করেছে, গাজার শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি মারাত্মক আকার ধারণ করছে। খাদ্য সংকটের কারণে অনেক শিশুকে জরুরি চিকিৎসা দিতে হচ্ছে, তবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ খাবারের সরবরাহ খুবই সীমিত।
এদিকে ইসরায়েলি সেনারা হামাসের হাতে আটক ইলান ওয়েইস নামে এক নাগরিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। নেতানিয়াহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, জীবিত বা মৃত—সব বন্দিকে ফেরত আনা হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় মাইক্রোসফট চার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে।