1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আর্সেনিক শনাক্তকারী অ্যাপ উদ্ভাবন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

আর্সেনিক শনাক্তকারী অ্যাপ উদ্ভাবন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৪ জন খবরটি পড়েছেন

বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনে নলকূপ পানির প্রধান উৎস। কিন্তু এর সঙ্গেই লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি আর্সেনিক। দেশের কোটি মানুষ এখনও এ বিষাক্ত উপাদানের ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের দেশে সাধারণত আর্সেনিক পরীক্ষার জন্য কেমিক্যাল কিট কিংবা ল্যাব টেস্টের উপর নির্ভর করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কিন্তু এবার একদল গবেষক উদ্ভাবন করেছেন এমন একটি মোবাইল অ্যাপ, যা কয়েক সেকেন্ডেই জানিয়ে দেবে কোনো নলকূপে আর্সেনিক ঝুঁকি আছে কি না।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

অ্যাপটির নাম ‘আই আর্সেনিক’। অ্যাপটি ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ-এর তত্ত্বাবধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কার্টিন ইউনিভার্সিটি এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে। এটি মাঠপর্যায়ে কোনো খরচ বা ঝুঁকি ছাড়াই কিট পরীক্ষার চেয়েও ভালো ফল দিচ্ছে।

যুগান্তকারী এ অ্যাপের উদ্ভাবনী দলের প্রধান গবেষক ও প্রকল্প পরিচালক হিসেবে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ পোর্টসমাউথ সিনিয়র লেকচারার এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হক। এ ছাড়া গবেষক দলের মধ্যে রয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ পোর্টসমাউথ’র কেন সোয়ার্টজ, অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন ইউনিভার্সিটির ড. আশরাফ দেওয়ান, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন’র অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান বাটলার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মাতিন আহমেদ। প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

জানা গেছে, একটি নলকূপে আর্সেনিক আছে কি না তা ৯০ শতাংশ-এর বেশি নির্ভরযোগ্যতায় অনুমান করা যায় তিনটি তথ্য ব্যবহার করে। তা হলো- নলকূপের চৌকাঠে পড়া দাগ (একটি ভূ-রসায়নিক নির্দেশক), নলকূপের গভীরতা এবং রাস্তার ঠিকানা (যা মিলে একটি ৩-মাত্রিক অবস্থান নির্ধারণে সাহায্য করে)।

এমনকি ব্যবহারকারীর গ্রামের নাম, অবস্থান এবং প্ল্যাটফর্মে থাকা দাগের রং ব্যবহার করে একটি টিউবওয়েল নিরাপদ কি না তা অনুমান করে এবং প্ল্যাটফর্মে থাকা দাগের রং ক্লাউড-ভিত্তিক একটি এআই মডেলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়। পূর্বের পরীক্ষার ডেটার সঙ্গে মিলিয়ে, এটি ব্যবহারকারীকে রঙের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ঝুঁকির মাত্রা জানিয়ে দেয়।

বর্তমানে এটি পর্যবেক্ষণভিত্তিক তথ্য এবং একটি পাবলিক ডেটাসেটের নমুনা ব্যবহার করে একটি কম্পিউটার মডেল তৈরি করে, যা নলকূপের আর্সেনিক মাত্রা অনুমান করতে পারে।

গবেষক দলের সূত্র মতে, মাঠ পর্যায়ের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ১০০টি কূপের মধ্যে ৮৪টির ক্ষেত্রে অ্যাপটি সঠিকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ নলকূপকে আলাদা করতে সক্ষম হয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কোনো ব্যয়বহুল রাসায়নিক কিট বা বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই আর্সেনিক ঝুঁকি যাচাই করতে পারবে।

এ বিষয়ে উদ্ভাবনী দলের প্রধান গবেষক ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ হক বলেন, ‘আর্সেনিক একটি নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি, যা এখনও কোটি মানুষের জীবনকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করছে। এ অ্যাপ সহজ তথ্য ব্যবহার করে গ্রামীণ পরিবারগুলোকে ঝুঁকি জানতে এবং নিরাপদ পানির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ থেকে গবেষণা তহবিল পাওয়ার পর কাজ শুরু করি। মাঠ পর্যায়ের ভ্যালিডেশন সম্পন্ন হয় ২০২৪ সালে এবং অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে। বর্তমানে এটি সক্রিয় রয়েছে এবং নিয়মিত উন্নয়ন করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar