1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  4. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  5. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শিকার আর বিলাসবহুল সুগন্ধির গল্প: কস্তুরীর রক্তমাখা ইতিহাস - বিডিটেলিগ্রাফ | Bangla News Portal, Latest Bangla News, Breaking, Stories and Videos
শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন: কোটা ৭%, ৯৩% মেধাভিত্তিক প্রথমবার নৌ ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের নৌজাহাজ ডুবাল রাশিয়া রায়পুরা সংসদীয় আসন রাখতে মহাসড়কে বিক্ষোভ মানববন্ধন ফেনীতে সিজারের ছয় মাস পর নারীর পেট থেকে গজ কাপড় উদ্ধার কায়সার কামালের উদ্যোগে দুর্গাপুরের ৪৫০ জনের চোখের আলো ফিরলো কথা বলতে না দিলে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ দাবি করবেন না শ্যামনগরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সময় পুকুরে পড়ে এক নারীর মৃত্যু কপোতাক্ষ নদ থেকে বালি উত্তোলনে দুইজনকে ১লাখ টাকা জরিমানা লালমনিরহাটে মাদকসহ ৫ ছিনতাইকারী গ্রেফতার ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগে ভোলায় লাখো প্রাণের কর্মসংস্থান

শিকার আর বিলাসবহুল সুগন্ধির গল্প: কস্তুরীর রক্তমাখা ইতিহাস

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৮ জন খবরটি পড়েছেন

বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক।

কস্তুরী কী

কস্তুরী (Musk) একটি বিরল প্রাণিজ সুগন্ধি, যা পাওয়া যায় পুরুষ কস্তুরীমৃগের (Musk Deer) নাভিগ্রন্থি থেকে। সাধারণত হরিণটির বয়স যখন ১০ বছরে পৌঁছায় তখন নাভি গ্রন্থি পূর্ণতা লাভ করে। এই সময় হরিণকে হত্যা করে সংগ্রহ করা হয় কস্তুরীগ্রন্থি, যার ওজন প্রায় ৬০-৬৫ গ্রাম।

ঘ্রাণের অনন্যতা

কস্তুরীকে বলা হয় সুগন্ধির রাজা। কথিত আছে, কস্তুরীর এক তিল কোনো ঘরে ফেলে রাখলে বহু বছর ধরে সেখানে সুবাস ছড়িয়ে থাকে। তিন হাজার ভাগ নির্গন্ধ পদার্থের সঙ্গে সামান্য কস্তুরী মেশালেই তা সুবাসিত হয়ে ওঠে। এর ঘ্রাণ এতটাই তীব্র যে সংগ্রহের সময় অনেক শিকারি চোখ-নাক থেকে পানি ঝরা কিংবা শ্বাসকষ্টে ভোগেন।

কস্তুরী মৃগ: লাজুক অথচ অমূল্য

ইংরেজিতে এ প্রাণীর নাম Musk Deer। এরা খুব লাজুক প্রকৃতির এবং নিরিবিলি পার্বত্য এলাকায় বিচরণ করে। হিমালয়ের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল, পামির মালভূমি ও কিছু তৃণভূমি সমৃদ্ধ উপত্যকা হচ্ছে এদের মূল আবাস। দেখতে ছোট আকারের হলেও এরা অত্যন্ত আকর্ষণীয়— সরু পা, মোটা লোম, উজ্জ্বল চোখ এবং ওপরের মাড়ি থেকে গজানো দুটি ছোট দাঁতের জন্য সহজেই চেনা যায়।

নাভিগ্রন্থির রহস্য

পুরুষ হরিণের নাভি মুখে এক ধরনের কোষ জন্ম নেয়, যা পূর্ণতা পেলে সুগন্ধ ছড়াতে থাকে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, হরিণ নিজেই জানে না যে তার শরীর থেকেই সুবাস ছড়াচ্ছে। ফলে সে পাগলের মতো ছুটতে থাকে অজানা ঘ্রাণের উৎসের সন্ধানে।

সংগ্রহের নির্মমতা

এক কিলোগ্রাম খাঁটি কস্তুরী সংগ্রহ করতে প্রায় দুই হাজার হরিণ শিকার করতে হয়। এজন্য এ প্রাণী বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। শিকারিরা যখন নাভিগ্রন্থি কাটে, তখন ঘ্রাণ এতটাই তীব্র হয় যে অনেকে অজ্ঞান হয়ে যান বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব-

প্রাচীনকাল থেকেই কস্তুরী রাজকীয় সুগন্ধি হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত কস্তুরী ব্যবহার হয়েছে ধর্মীয় আচার, রাজকীয় আসবাবের সুগন্ধি, এমনকি চিকিৎসা উপাদান হিসেবেও। আজও আন্তর্জাতিক বাজারে এর কদর আকাশচুম্বী, তবে এর উৎপাদন সীমিত এবং আইনগতভাবে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews