1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  4. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  5. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কেরালায় ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ সংক্রমণে ১৯ জনের মৃত্যু - বিডিটেলিগ্রাফ | Bangla News Portal, Latest Bangla News, Breaking, Stories and Videos
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Rockstar–এর নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ Teuf: ‘১৩ মাসের পরিশ্রমে তৈরি জাদুর দুনিয়া এক ঝটকায় উধাও’ “খালেদা জিয়া যেন হাসিনার ফাঁসি কার্যকর দেখে যেতে পারেন”: হাসনাত আব্দুল্লাহ গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে “ফ্রি র‍্যাবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৫” অনুষ্ঠিত মায়ের অবস্থা ‘সংকটজনক’: তারেক রহমান সিসিইউতে খালেদা জিয়া; গভীর রাতে হাসপাতালে আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ”যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের চেয়েও খারাপ” – বাণিজ্য উপদেষ্টা টানা তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ত্রিশালে বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ মোংলায় চোরাই কয়লাসহ ১২পাচারকারী আটক খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

কেরালায় ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ সংক্রমণে ১৯ জনের মৃত্যু

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮৬ জন খবরটি পড়েছেন

ভারতের কেরালায় প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (পিএএম) সংক্রমণে চলতি বছরে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেগেলেরিয়া ফাউলেরি নামের অ্যামিবার কারণে সৃষ্ট এ বিরল রোগটিকে প্রায়শই ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ বলা হয়।

কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভীনা জর্জ বৃহস্পতিবার জানান, এ বছর রাজ্যে কোনো ক্লাস্টার আউটব্রেক দেখা যায়নি। শনাক্ত হওয়া ৬৯টি সংক্রমণই একক ঘটনা। তিনি বলেন, গত বছর একই পানির উৎস ব্যবহারের কারণে একাধিক ক্লাস্টার আউটব্রেক ঘটেছিল, তবে এ বছর তা হয়নি।

পিএএম এক ধরনের অ্যামেবিক এনসেফালাইটিস, যা সাধারণত মিঠা পানির মুক্ত-জীবিত অ্যামিবার মাধ্যমে ছড়ায়। এ সংক্রমণ মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করে এবং গুরুতরভাবে ফুলে যায়, যার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আক্রান্তদের মৃত্যু ঘটে। সাধারণত শিশু, কিশোর ও তরুণরা এর ঝুঁকিতে থাকে।

কেরালা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দূষিত জলাশয়ে সাঁতার বা ডুব দেওয়ার পাশাপাশি সাইনাস চিকিৎসায় নেটি পট ব্যবহারের মাধ্যমেও এ রোগে সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমণের এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রোগী মারা যায়।

পিএএম-এর লক্ষণগুলো ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিসের মতো হওয়ায় শনাক্ত করা কঠিন। সাধারণত মাথাব্যথা, জ্বর, বমি, বমিভাব, এমনকি ঘ্রাণ বা স্বাদ অনুভূতি হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। রোগটি হঠাৎ শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে দুই দিনের মধ্যে তীব্র আকার ধারণ করে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews