1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ফরিদপুরের ছোট্ট ঘরেই বোনা হচ্ছে বিশ্বমানের জামদানি শাড়ি - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

ফরিদপুরের ছোট্ট ঘরেই বোনা হচ্ছে বিশ্বমানের জামদানি শাড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৫ জন খবরটি পড়েছেন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পানাইল গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান প্রমাণ করেছেন—ভালো জামদানি শুধু নারায়ণগঞ্জেই হয় না। গ্রামের একটি ছোট টিনের ঘরে ছয়টি তাঁত বসিয়ে মাসে ২৫টি পর্যন্ত জামদানি শাড়ি তৈরি করছেন তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মোস্তাফিজুরের ৩০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট প্রস্থের ঘরেই সারিবদ্ধভাবে কাজ করেন ১২ জন কারিগর। এই কারখানার নাম দিয়েছেন তিনি ‘মুসলিম জামদানি ঘর’। শাড়িগুলো বিক্রি হয় স্থানীয় বাজারে ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীতেও।

২০০৭ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে রূপগঞ্জে গিয়ে জামদানি বুনন শেখেন মোস্তাফিজুর। ১৪ বছর কাজ করার পর ২০২১ সালে নিজ গ্রামে ফিরে এসে নিজ উদ্যোগে তাঁত বসান। বর্তমানে স্ত্রী নিলা বেগমসহ ১২ জন কারিগর কাজ করছেন তাঁর কারখানায়।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন এবং প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। প্রতিটি শাড়িতে ২ হাজারের বেশি রেশমি সুতা ব্যবহৃত হয়, যা রাজশাহী থেকে কেনা হয়।

জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁত বোর্ডের ফরিদপুর অঞ্চলে কোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্র না থাকলেও তাঁত বোর্ড তাঁকে একটি সমিতি গঠনের পরামর্শ দিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও ক্রেতারা বলছেন, মোস্তাফিজুরের তৈরি জামদানির মান নারায়ণগঞ্জের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান বলেন, “মোস্তাফিজুর আমাদের এলাকার গর্ব। তাঁকে কেন্দ্র করে একটি জামদানি শিল্পকেন্দ্র গড়ে তোলা উচিত।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar