বিলাল মাহিনী ভালোবাসার আবার দিবস থাকে নাকি? দিনক্ষণ গুনে যে কি ভালোবাসা হয়? পা গেড়ে বসে প্রিয়ার হাতে গোলাপ তুলে
বিলাল মাহিনী। কবি নাঈম নাজমুল (পুরো নাম নাঈমুল হাসান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ) ১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় তৎকালীন
এ আর রাকিবুল হাসান, কুড়িগ্রাম। কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৮৮ তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে
বিলাল মাহিনী দীর্ঘ ঘুমের মধ্যে মানুষের বিবেক!দৃষ্টিসীমা ছাড়িয়ে কুয়াশার বুক চিরেছেড়ে যাওয়া ট্রেনের মতো অসংখ্য চেনা মুখহারিয়ে যাচ্ছে মেঘের ওপারে..
বিলাল মাহিনী সব সত্যি কি সত্যি, সব হাসি কি হাসি? নাকি- এর আড়ালে মিথ্যে আর কান্না লুকোনো! ভেজাল-নির্ভেজালের খেলা সারা
বিলাল মাহিনী এক ঘুমে যদি শীতটা কেটে যেতো;ফাগুন আসতো-আঁধার ধুয়ে যেতো, স্বপ্ন জলে খেলতো বুনো হাসক্ষয়ে যাওয়া জীবন ফিরে পেতো-তাজা
শাহাদত হোসেন কাবিল ব্যথায় কাতর হাঁটিতে পারি নাঘরে বসে দিন যায়আমার পৃথিবী গুটিয়ে এসেছেসদা তাই মনে হয়।আড়াই বছর কষ্টে আছিকোন
বিলাল মাহিনী, যশোর। বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এম.এম. নাজমুল হক (কবি বুনো নাজমুল যশোরী)-এর ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ২৫ নভেম্বর। এই
বিলাল মাহিনী চাঁদের গাগে যে কালিমা দেখছো-তা চাঁদের মলাট বৈ কিছুই নয়তোমার ঐ কালো টিপ যেনো সেই মলাটের প্রতিচ্ছবিএকটা টিপ
বিলাল মাহিনী সাদা কইতরে আত্মা পুরে যদি আমি উড়ন্ত মেঘের মতো ভেসে বেড়াই নীলাচল জুড়েতবে কি তুমি আমায় মুক্তি দেবে?