১২ দিনের নিরবচ্ছিন্ন অনুশীলন আর ঘামঝরা প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের বাহরাইন অধ্যায়। পূর্ব নির্ধারিত দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের পর আরও একটির প্রত্যাশা ছিল—স্বাগতিক কিংবা স্থানীয় কোনো দলের বিপক্ষে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষ মেলেনি। অভিজ্ঞতা আর আত্মবিশ্বাসের নতুন ভাণ্ডার মঙ্গলবার দেশে ফিরবে যুবারা।
স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১৮ ও ২২ আগস্টে দুটি ম্যাচেই হেরেছে সাইফুল বারী টিটুর দল। প্রথমটিতে ১-০ ও পরের ম্যাচে ২-০ গোলে লিড নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত ২-৪ ব্যবধানে হার মানতে হয় সফরকারীদের। যদিও ফলের চেয়ে দলগত সমন্বয় ও সব খেলোয়াড়কে পরখ করার সুযোগ বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
সহকারী কোচ হাসান আল মামুন বললেন, ‘সব খেলোয়াড়কে আমরা মাঠে নামানোর চেষ্টা করেছি। টিম স্পিরিট দারুণ ছিল। এখন আমরা সেরা কম্বিনেশনের কাছাকাছি।’
শেষদিন স্থানীয় কোনো ক্লাব দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও প্রতিপক্ষ না পাওয়ায় নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে ম্যাচ খেলেন যুবারা। সবমিলিয়ে সফরটিকে মূল্যবান অভিজ্ঞতা বলেছেন ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপু।
তার ভাষায়, ‘প্রথম ম্যাচের তুলনায় দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা অনেক ভালো খেলেছি। কোচরা পরিকল্পনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, আমরা সেগুলো শিখছি।’
এদিকে ঢাকায় ফেরার পর আরও দু’দিন অনুশীলন করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর ২৯ আগস্ট ভিয়েতনামে যাবে তারা। আগামী মাসেই বসছে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব। যেখানে গ্রুপ ‘সি’-তে বাংলাদেশের। প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম, ইয়েমেন ও সিঙ্গাপুর।