1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লোহাগাড়ায় টঙ্কাবতী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে পেটান শাহে দরগা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

লোহাগাড়ায় টঙ্কাবতী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে পেটান শাহে দরগা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৮ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ / লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট), রাত ৯টা ৩০ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পূর্ব কলাউজান ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে টঙ্কাবতী নদীর ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে স্থানীয়দের ঐতিহ্যের প্রতীক ‘পেটান শাহে দরগা’। খরস্রোতা নদীর অব্যাহত ভাঙনে দরগাহটিসহ আশপাশের বসতবাড়ি ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আল্লাহর ওলি হিসেবে পরিচিত পেটান শাহ একসময় ওই স্থানে যাত্রাবিরতি করেছিলেন। সেই স্মৃতিকে ঘিরে স্থানটি স্থানীয়দের কাছে পবিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বছরের পর বছর ধরে মানুষের বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই ছোট্ট দরগাহটি।

বর্তমানে টঙ্কাবতী নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও ভাঙনের তীব্রতা বাড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একসময় যেখানে মানুষের বসতবাড়ি ছিল, আজ সেখানে নদীর স্রোত। ভাঙনের কবলে পড়ে এরই মধ্যে অনেক ঘরবাড়ি ও জমিজমা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে দরগাহটির অদূরে থাকা একটি মসজিদ ও বেশ কিছু বসতঘর বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউসুফ বলেন, “নদীর স্রোত দিন দিন তীরের দিকে এগিয়ে আসছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে দরগাহসহ আশপাশের বসতবাড়ি ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।”

স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি কেবল নদীভাঙনের সাধারণ ঘটনা নয়, এর সঙ্গে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। তারা জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar