1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কুমিল্লার বন্দিশাহী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাককানইবিতে ছাত্রদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মুকুল রানার হাতে রঙিন মিঠাস, জীবনের চাকা ঘোরে ঐতিহ্যের স্বাদে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান আইনমন্ত্রীর জাককানইবিতে নবনির্মিত স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন করলেন উপাচার্য রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত শ্যামনগরে বিআরটিসি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত রাজশাহীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন: বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ইসির, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধ: সালিশ না মানা মোস্তাফিজের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মাদক, নৈরাজ্য ও অনলাইন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ববি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

কুমিল্লার বন্দিশাহী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৫৭০ জন খবরটি পড়েছেন

কুমিল্লায় পরিত্যক্ত অবস্থার অযুহাতে একটি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে বুধবার মসজিদ ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া আফরিন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের চাঁনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় প্রায় ৩০ বছর আগে বন্দিশাহী জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয় এলাকাবাসীর অর্থায়নে। গত প্রায় ৫ বছর আগে ওই মসজিদের পাশে নতুন আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর থেকে বন্দিশাহী জামে মসজিদটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়রা আরোও জানান,গত তিনদিন আগে চাঁনপুর এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন মসজিদটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেন । তিনি মসজিদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ করবেন বিল্লাল হোসেন নামের একজন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বিল্লাল হোসেন বলেন, বাবা-চাচারা প্রায় ৩০ বছর আগে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। মসজিদটির জায়গাও আমাদের দেওয়া, এটা খাস জায়গা নয়। আমার বাবা-চাচারা জায়গাটি মসজিদের নামে ওয়াকফ্ করে দিয়েছেন। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। এজন্য এটি ভেঙে সেখানে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা করার উদ্যোগ নিয়েছি। মসজিদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ করার কথা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি কাজগপত্র নিয়ে ইউএনও’র কাছে যাবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া আফরিন বলেন, ওই মসজিদটি সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানে থাকা সম্পত্তিতে নির্মিত হয়েছে। তবে আমরা এটির অনুমোদন দেইনি। এরপরও সরকারি সম্পত্তিতে থাকা মসজিদ তিনি (বিল্লাল) এভাবে ভাঙতে পারেন না। খবর পেয়ে ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। তাকে বলেছি, কীভাবে তিনি এটি ভাঙতে পারেন, তা কাগজপত্রসহ আমাদেরকে জানাতে। সুত্র-আমাদের সময় ডটকম

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

X