1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গোপালগঞ্জের  কৃষকরা ৭০ দিনে ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: ইনসাফ রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা জকসুর উদ্যোগে চালু হলো রক্তদাতা খোঁজার অ্যাপ ‘JnURedDrop’ নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জের  কৃষকরা ৭০ দিনে ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৮ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-বাসস

মনোজ কুমার সাহা ॥

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মৌসুমের শুরুতেই তেঁতে ওঠেছিল পেঁয়াজের বাজার। ফলে ভালো দামের আশায় ক্ষেতে পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেন অনেক কৃষক। আর মাত্র ৭০ দিনের মাথায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন পান তারা। প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন ওই কৃষকরা। ফলে কাঁচা টাকা আয় করেছেন তারা। এখন এসব জমিতে বোরো ধানের আবাদ শুরু করছেন কৃষকরা।  

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামার বাড়ির উপ-পরিচালক আ. কাদের সরদার বলেন, রবি মৌসুমে গোপালগঞ্জের  কৃষকরা ৩৫০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ করেন। এসব জমিতে মাত্র ৭০ দিনে ৪ হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। ওই পেয়াজের বিক্রি থেকে ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকা আয় করেছেন কৃষকরা। এছাড়া বাজারে পেঁয়াজ কালির দামও ভাল ছিল। পেঁয়াজ কালি বিক্রি করেও ভাল টাকা আয় করেছেন তারা। 

জেলার মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর গ্রামের কৃষক ওবায়দুর রহমান বলেন, এই মৌসুমে পেঁয়াজের দাম ২শ’ টাকা পর্যন্ত অতিক্রম করেছিল। আমি আমার ১০০শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ করি। প্রতি শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদে আমার খরচ হয় ১ হাজার ৬০০ টাকা। শতাংশ প্রতি আমি ৬০ কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন পেয়েছি। প্রথম দিকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। শেষের দিকে ওই পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। গড়ে প্রতি শতাংশ জমি থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করেছি।  এছাড়া প্রতি শতাংশ থেকে অন্তত ৫০০ টাকার কালি বিক্রি করেছি। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করে প্রতি শতাংশে আমার ১ হাজার ৩০০ টাকা লাভ হয়েছে। সে হিসাবে ১০০ শতাংশ জমি থেকে আমার লাভ হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মুড়িকাটা পেঁয়াজের পর এখন জমিতে বোরো ধানের আবাদ করছি। 

জেলার কাশিয়ানী উপজেলার হিরণ্যকান্দি গ্রামের কৃষক রবিউল মোল্লা বলেন, ৫২ শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়জ আবাদ করে অন্তত ৭৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এখন এই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করছি। এই ৫২ শতাংশ জমিতে ব্রি’র উচ্চ ফলনশীল জাতের ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’ আবাদ করছি। এখান থেকে অন্তত ৫২ মন ধান পাব। পেঁয়াজের পর ধানের আবাদেও আমার লাভ থাকবে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু বলেন,  ২০৪১ সালের মধ্যে সরকার কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ করতে চায়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রখে আমরা কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষককে দিয়ে অধিক ফসল ফলাতে উদ্বুদ্ধ করছি। এ বছর কৃষক মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। এভাবে এক ফসলী জমিকে আমরা দুই ফসলী ও দুই ফসলী জমিকে ৩ ফসলীতে রূপান্তর করছি। এতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম জমিতে অধিক ফসল উৎপাদন করে কৃষক লাভবান হচ্ছেন। এছাড়া জলাবদ্ধ জমিতে ভাসমান, ডালি, বস্তা পদ্ধতিসহ অন্যন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে।বাসস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar