1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
এনসিপির সমাবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন সারজিস - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাঝ আকাশে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ইন্ডিগোর বিমানে বজ্রপাত, নিরাপদে অবতরণ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা কাটল, ১৫ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা পাঁচশ বছর ধরে বিরতিহীন কুরআন তেলাওয়াত ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষিত শহরের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই সৌদি আরবের দুই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬ শেখ হাসিনাকে ফেরানো আইনি বিষয়, প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে: ভারত গৌরীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল জকসুর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী দুর্যোগে দ্রুত সাড়ার দক্ষতা বাড়াতে জবিতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ

এনসিপির সমাবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন সারজিস

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৮ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

সরাজিস আলম বলেন, সংগ্রামী সহযোদ্ধারা, আজ ৩ আগস্ট। এক বছর পর এই দিনে বিকেল ৪টায় আমরা আবারও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে দাঁড়াবো পুরো দেশের মানুষের সামনে এনসিপির ইশতেহার নিয়ে। আমাদের এই প্রোগ্রামে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা আছে। সেগুলো নিয়েই এই ভিডিও।

আজ কর্মদিবস হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেন, কর্মজীবীদের কিছুটা কষ্ট হবে। তাই দুঃখ প্রকাশ করছি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শহীন মিনার। সেখানে আমাদের শিক্ষার্থী ভাইবোনেরা যারা রয়েছেন। তাদের ছুটি হলে কিছুটা কষ্ট হবে। আমরা তাদের কাছে আগেই দুঃখ প্রকাশ করছি।

এনসিপির এ নেতা বলেন, সারা দেশ থেকে আসা আমাদের সহযোদ্ধারা প্রতি অনুরোধ থাকবে, 

আমাদের মধ্যে কথা বলায় কিংবা চলাচলে যেন সৌহার্দ্য এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকে। সহযোদ্ধাদের প্রতি আরেকটি অনুরোধ, এটা যেহেতু একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের জায়গা, আমরা যেন এখানে আমাদের জায়গা থেকে কোনো ধরনের প্যাকেট, খাবার কিংবা বোতল না ফেলি। আমরা যেন নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিনে ফেলি।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হচ্ছে, আমাদের প্রোগ্রাম শেষে কোনো বোতল, প্যাকেট বা এই জাতীয় কোনো উচ্ছিষ্ট পড়ে থাকলে যেন আমাদের নিজেদের দায়িত্বে পরিষ্কার রেখে পরিবেশটাকে সুন্দর করে রাখি। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই জায়গায় অনেক বাস আসবে। এই বাসগুলো ক্যাম্পাসে বা আশপাশের রাস্তায় রাখা যাবে না। এই বাসগুলো নিয়ে রাখতে হবে পুরাতন বাণিজ্য মেলার স্থানে’, যোগ করেন সারজিস।

তিনি বলেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলা এলাকা, শহীদ মিনারের আশেপাশ, আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পলাশী এলাকায় এবং ঢাকা মেডিকেলের বহির্বিভাগ থেকে জরুরি বিভাগের গেইটের রাস্তায় মোবাইল টয়েলেটের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া শহীদ মিনারের ঠিক বিপরীতে আইন বিভাগের ভবনে আমাদের প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে। সামগ্রিকভাবে ক্যাম্পাসে, শহীদ মিনার এবং এর সংলগ্ন জায়গায় যেন আমাদের জায়গা থেকে কোনো ধরনের কোনো কিছু স্ট্যান্ড না করি। রাস্তায় যেন যানজট তৈরি না করি। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রোগ্রামের জন্য এমনিতেই আজ কর্মজীবীদের কিছুটা কষ্ট হবে, এই কষ্ট যেন আমাদের দ্বারা আরও না বাড়ে, পুরাতন বাণিজ্য মেলায় নিয়ে যেতে হবে সব বাস।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের প্রোগ্রাম চলাকালে তপ্ত রোদ থাকলে সবার সঙ্গে যেন পানির ব্যবস্থা থাকে। নিজেরা যেন এটা রাখি। আমাদের মধ্যে কেউ গুরুতর আহত বা অসুস্থবোধ করলে তারা যেন প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে যাই। পাশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। সেখানে যেন দ্রুত যাই’, যোগ করেন তিন।

এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, সবশেষ আরেকটি বিষয় হচ্ছে, শহীদ মিনার সংলগ্ন শাহবাগে আমাদের অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা ছাত্রদলের বড় প্রোগ্রাম রয়েছে। তাদের প্রতি যেন আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে যেন একে অপরকে সহযোগিতা করি। আরেকটি আহ্বান থাকবে, আজ যেহেতু অভ্যুত্থানের দুটি পক্ষ রয়েছি, তাই তৃতীয় পক্ষ আমাদের মধ্যে উসকানি দেয়ার চেষ্টা করবে। তারা কিন্তু আমাদের বা ছাত্রদলের কেউ না। তারা তৃতীয় পক্ষ। তাদের উসকানিতে যেন আমরা কোনোভাবেই পা না দিই। দলীয় শৃঙ্খলা যেন আমাদের জায়গা থেকে মেইনটেইন করি। 

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar