1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আমির হামজার স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিতে মাগুরায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

আমির হামজার স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিতে মাগুরায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২
  • ২৪৫ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাহিত্যে মাগুরার শ্রীপুরের কৃতি সন্তান মরহুম মো. আমির হামজা স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন।  বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি আমির হামজার জন্ম ১৯৩১ সালে মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার বরিশাট গ্রামে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মরহুম মো. আমির হামজা স্বাধীনতা পদক নিজ জেলা মাগুরাতে সুধী সমাজের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

আমির হামজার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি হত্যা মামলার একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এতে করে দেশের সর্বোচ্চ খেতাব পাওয়ায় সাধারনের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্ট হয়েছে। এব্যাপারে সুধী সমাজ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার দেশের স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ১০ জনের পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানের নামে স্বাধীনতা পদক ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর থেকেই বিশেষ করে সাহিত্যে অবদান হিসেবে মরণোত্তর পদকপ্রাপ্ত আমির হামজার নাম ঘোষণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রেই সমালোচনা চলছে।

একাধারে কবি গীতিকার ও সুরকার, গায়ক  প্রতিযোগিতামূলক কবিগান ও পালাগান করে অনেক খ্যাতি অর্জন করা মরণোত্তর পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক আমির হামজা বরিশাট গ্রামে ১৯৭৮ সালে শাহাদত ফকির নামে একজন কৃষক এবং শিল্পী নামে আড়াই বছরের একটি শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সর্বশেষ ২০০৭ সালেও স্থানীয় একটি গ্রাম্য মারামারির ঘটনায় তিনি আসামি ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

বরিশাট গ্রামের নিহত শাহাদত হোসেন ফকিরের ছেলে দিয়ানত ফকির বলেন, গরুতে ক্ষেতের ফসল খাওয়ার ঘটনা নিয়ে আমির হামজার পরিবারের সঙ্গে আমাদের বিরোধ হয়। ওই বিরোধের জের ধরে আমির হামজা এবং তার ভাই রব্বানী সরদারের নেতৃত্বে আমার বাবার উপর হামলা চালানো হয়। তারা নির্মমভাবে আমার বাবাকে কুপিয়ে খুন করে। একই সময়ে সাবান মোল্যার আড়াই বছরের শিশু শিল্পীকে সড়কির আঘাতে খুন করা হয়। এ ঘটনায় তারা দুই ভাইসহ মোট ৬ জনের কারাদণ্ড হয়। আট বছর জেল খাটার পর ৯১ সালের দিকে বিএনপি সরকার গঠন করলে মাগুরার মন্ত্রী মজিদুল হকের সহায়তায় বেরিয়ে আসেন তারা।

তার এই বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায় আরও অনেকের কাছ থেকে। একইসঙ্গে ওই মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাভোগ করেন একই গ্রামের আফজাল মোল্যা। তিনি বলেন, আমির হামজাদের সঙ্গে দল করায় আমি আসামি হয়েছিলাম। এই হত্যা মামলার কারণে আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।

আমির হামজা সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেও তার কবি গুণাবলীর প্রশংসা করেছেন অনেকে। তাৎক্ষণিক গান রচনা এবং পরিবেশনের কারণে তার সুখ্যাতি যেমন রয়েছে পাশাপাশি সাহিত্যগুণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নয়, জিয়াউর রহমানকে নিয়েও গান লিখেছেন যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে আছে বলে স্থানীয় অনেকে জানিয়েছেন।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সামাজিক সংগঠন সারথী ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিএনপি নেতা শিকদার মনজুরুল আলম বলেন, আমির হামজার প্রথম বই ‘বাঘের থাবা’ আমি প্রকাশ করে দিয়েছি। তিনি পালাগান করতেন।

ছড়াকার আবু সালেহ, ফারুক নওয়াজসহ সাহিত্যাঙ্গণের কেউ কেউ আমির হামজার পদকপ্রাপ্তিতে সাধুবাদ জানালেও অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

মাগুরার প্রবীণ কবি মিয়া ওয়াহিদ কামাল বাবলু বলেন, নিজে সত্তরের দশক থেকে মাগুরার সাহিত্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিচরণ করলেও তার সম্পর্কে ভালোকিছু সামনে আসেনি। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, পালাগান করতেন; এর জন্যে স্থানীয় কোনো সংগঠন তাকে পুরস্কার দিতে পারতো কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বাধীনতা পদক এটি যথাযথ হয়নি।

হামির হামজার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তার এই পদকপ্রাপ্তির জন্যে আবেদন করেছিলেন তার সন্তান আসাদুজ্জামান। তিনি বর্তমানে খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত আছেন।

এ বিষয়ে আসাদুজ্জামানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বাবা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন ঘটনাটি সত্য। তবে জীবদ্দশায় বাবাকে ভালো মানুষ হিসেবে জেনেছি। তিনি উদার মানুষ ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও কবি আমির হামজার এ পুরস্কার প্রাপ্তি আমাদের জন্য গর্বের। শ্রীপুরের সাংস্কৃতিক সংগঠন সারথি ফাউন্ডেশনের সভাপতি শিকদার মঞ্জুর আলম জানান- চারণ কবি আমির হামজার এ পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আমৃত্যু আমাদের সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে গেছেন। তার এ পুরস্কার প্রাপ্তি আমাদের সংস্কৃতি চর্চায় আরও উৎসাহিত করবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar