ডেস্ক রিপোর্ট।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
শুক্রবার (৬ মে) আন্দামান সাগরে সৃষ্টি হতে পারে সম্ভাব্য লঘুচাপ। আর এই লঘুচাপের ফলে সৃষ্টি হতে পারে বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’। বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস ধারণা করছে, এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা ও বাংলাদেশ।
এদিকে ভারতের আন্দামান সাগরে সম্ভাব্য লঘুচাপে সৃষ্ট বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (০৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার পূর্বপ্রস্তুতির বিষয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ উত্তর-পূর্ব দিকে ভারতের ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় আঘাত হানতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সেই ক্যাপাসিটি আছে এবং প্রস্তুতিও আছে। আশা করি, আমরা সুন্দরভাবে এটি মোকাবেলা করতে পারব।
বৃহস্পতিবার (৫ মে) আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুখ গণমাধ্যমকে বলেন, দক্ষিণ আন্দামান সাগরের সম্ভাব্য লঘুচাপটি আগামীকাল সৃষ্টি হতে পারে এবং ৯ তারিখের মধ্যে হয়তো লঘুচাপে রূপান্তরিত হবে। এরপর ধীরে ধীরে এটা সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ ধারণ করবে। এরপর ১১ তারিখের দিকে নিম্নচাপে রূপান্তরিত হয়ে নিম্নচাপ থেকে গভীর নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তর হওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। যদি ঘূর্ণিঝড় হয়, তাহলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হবে আসানি। এখন পর্যন্ত সৃষ্টি হতে যাওয়া লঘুচাপটি পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা ও বাংলাদেশের দিকে মুখ করে আছে। তবে এর গতিপথ একেক সময় একেক দিকে দেখাচ্ছে। এজন্য বলা মুশকিল, এটি তৈরি হলেও আসলে কোন দিকে যাবে। তবে আমাদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এটি পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা ও বাংলাদেশে আসবে।
বাংলাদেশে প্রবেশ করলে ঘূর্ণিঝড়টি কোন দিকে আঘাত হানতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না, এটি কোন দিকে আঘাত হানবে। যেকোনো দিকে আঘাত হানতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের পশ্চিম অঞ্চলে যেতে পারে আবার পূর্বাঞ্চলেও যেতে পারে। এটি আগামী ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলেও জানান তিনি।