নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এক কলেজ শিক্ষিকা।
অসম এ বিয়ের ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুরে।
উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহারের(৪০)সাথে ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রথমে পরিচয় হয় নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ২২ বছরের যুবক মামুনের।
মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৩ মাসের সম্পর্কে রয়েছে ভালোবাসার গভীরতা। আর এই গভীরতা থেকেই বিয়ে করেন তারা। ছয় মাস আগে বিয়ে করলেও সেটি আত্মগোপনেই ছিল। সপ্তাহখানেক আগে বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।
খাইরুন নাহারের প্রথমে বিয়ে হয় রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়।সে ঘরে তার একটি সন্তানও রয়েছে। পারিবারিক কলহে সংসার ভেঙ্গে যাবার পরে অনেক দিন কেটে গেছে। একপর্যায়ে মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়া খাইরুন নাহারের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের । নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখান মামুন তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। আর সেই ভালোবাসা থেকেই ছয় মাস প্রেমের সম্পর্কের পর দুজনের সিদ্ধান্তে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এই বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও খায়রুনের পরিবার মেনে নেয়নি। তার পরেও খাইরুন নাহার আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে চান।